কমিউনিস্ট পার্টির জেলার সভাপতি হাফিজুল ইসলামের সভাপতিত্বে সভায় বক্তব্য রাখেন জেলার সাধারণ সম্পাদক শিবনাথ চক্রবর্তী, সমাজতান্ত্রিক দল-বাসদ জেলা ফোরামের সদস্য আবু নাঈম খান বিপ্লব, গণসংহতি আন্দোলন জেলা সমন্বয়ক তরিকুল সুজন, ট্রেড ইউনিয়ন কেন্দ্রের জেলার সাধারণ সম্পাদক বিমল কান্তি দাস, গার্মেন্টস শ্রমিক ফ্রন্ট জেলার সভাপতি সেলিম মাহমুদ, গার্মেন্টস শ্রমিক সংহতি জেলার আহ্বায়ক অঞ্জন দাস, গার্মেন্টস শ্রমিক টিইউসির সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন, ছাত্র ইউনিয়ন জেলার সভাপতি সজীব শরীফ, সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট জেলার সভাপতি সুলতানা আক্তার, ছাত্র ফেডারেশন জেলার সভাপতি মশিউর রহমান খান রিচার্ড, রি-রোলিং স্টিল মিলস শ্রমিক ফ্রন্ট জেলার সাধারণ সম্পাদক এস.এম.কাদির।
সভায় নেতারা বলেন, ‘সরকার অযৌক্তিকভাবে বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধি করেছে। গণ শুনানিতে আমরা দেখিয়েছিলাম বিশ্ববাজারে তেলের দাম কম ফলে বিদ্যুৎ উৎপাদন খরচ কম। সরকার দুর্নীতি ও ভুলনীতি পরিহার করলে, ডিজেলের পরিবর্তে সরকারি বিদ্যুৎ কেন্দ্র ব্যবহার করলে বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধি নয় বরং ইউনিট প্রতি ১ টাকা ৫৬ পয়সা কমানো সম্ভব। অথচ সরকার রেন্টাল, কুইক রেন্টাল, বিদ্যুৎ ব্যবসায়ী, বেসরকারি বিদ্যুৎ উৎপাদনকারী, বিদ্যুৎ আমদানিকারক, এলএনজি ব্যবসায়ীদের মুনাফার স্বার্থে বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধি করেছে।’
নেতারা আরও বলেন, ‘বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধি নিম্নবিত্ত মানুষের জীবন ব্যয় আরও বাড়িয়ে দেবে। বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধি সব নিত্য পণ্যের দাম, বাড়ি ভাড়া ইত্যাদি বৃদ্ধি করবে। যার দুর্ভোগ পোহাবে দেশের গরীব সাধারণ জনগণ। এমনিতেই চালসহ নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসের দাম আকাশচুম্বি। সেটা উপেক্ষা করে বিদ্যুতের দাম বাড়ানো, এটা জনগণ মেনে নেবে না।’ নেতারা বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর গণবিরোধী সিদ্ধান্ত বাতিল ও চালসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের দাম কমানোর দাবিতে দেশবাসীর প্রতি আগামী ৩০ নভেম্বর সকাল ৬টা থেকে ২টা পর্যন্ত দেশব্যাপী সর্বাত্মক হরতাল সফল করার জন্য আহ্বান জানান।