মাদারীপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামরুল হাসান এ তথ্য জানান।
এর আগে চট্টগ্রাম বন্দরে লষ্কর নিয়োগ নিয়ে নৌ-পরিবহন মন্ত্রী শাজাহান খানের বিরুদ্ধে ফেসবুকে আপত্তিকর স্ট্যাটাস দেওয়ার অভিযোগ এনে আসিফ নজরুলের বিরুদ্ধে মানহানি মামলা দায়ের করা হয়।
মামলার বাদী নৌ-পরিবহন মন্ত্রী শাজাহান খানের ভাগিনা সৈয়দ আসাদ উজ্জামান মিনার তার আরজিতে উল্লেখ করেন, বিবাদী নজরুল ইসলাম ওরফে আসিফ নজরুল তার ফেসবুক আইডিতে উল্লেখ করেছেন যে, ‘চট্টগ্রাম বন্দরের নিয়োগ পরীক্ষায় ৯২ জন উত্তীর্ণ হয়েছে, যার মধ্যে ৯০ জন নৌ-পরিবহন মন্ত্রীর এলাকা মাদারীপুরের বাসিন্দা। অথচ উনি চাইলে ৯২ জনই উনার এলাকার লোক হতে পারতো। ২ জন ভিন্ন এলাকার লোক নিয়োগ দিয়ে উনি সততার যে দৃষ্টান্ত দেখালেন তা ইতিহাসের পাতায় স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে।’ আসিফ নজরুলের এই স্ট্যাটাসের প্রেক্ষিতে তার ফেসবুক আইডি থেকে নৌমন্ত্রী সম্পর্কে অসম্মানজনক মন্তব্য আসতে থাকে। বাদী তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনার সত্যতা সম্পর্কে চট্টগ্রাম বন্দরে যোগাযোগ করে জানতে পারে তথ্যটি সম্পূর্ণ অসত্য।
অ্যাড. গোলাম কিবরিয়া জানান, মাদারীপুর আদালতে দায়েরকৃত মামলা নং ৪০০/২০১৭। আদালত মামলাটি গ্রহণ করে সমন জারি করেছেন। মামলার পরবর্তী তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে ১৪ ডিসেম্বর। ওইদিন আসিফ নজরুলকে মাদারীপুর আদালতে হাজির হওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. জাকির হোসেন।
বাদী পক্ষে আইনজীবী হিসেবে ছিলেন মাদারীপুর জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি নৌ-পরিবহন মন্ত্রীর ছোট ভাই ওবাইদুর রহমান কালু খান, সহ-সম্পাদক গোলাম কিবরিয়া হাওলাদার, সদস্য মেসবাহউদ্দিন খোকন, সেহেলা ইয়াসমিন কলি, সাইদুর রহমান সাঈদ ও সালাউদ্দিন খান রাসেল।
মামলায় সাক্ষী হিসেবে আছেন মাদারীপুর জেলা পরিষদের ৪ সদস্য সামচুল আলম নান্নু, অ্যাড. যতীন সরকার, আ. মান্নান লস্কর ও নুরজাহান পারুল।
উল্লেখ্য, এর আগে চট্টগ্রাম বন্দরে লস্কর নিয়োগ নিয়ে নৌ-পরিবহনমন্ত্রী শাজাহান খানের বিরুদ্ধে ফেসবুক মিথ্যা তথ্য দিয়ে স্ট্যাটাস দেওয়ায় মাদারীপুর আদালতে ড. আসিফ নজরুলের বিরুদ্ধে মানহানি মামলা করা হয়। ৫০০ ও ৫০১ ধারায় মামলাটি দায়ের করেন নৌ-মন্ত্রীর চাচাতো ভাই মাদারীপুর জেলা পরিষদের সদস্য ফারুক খান।