পদ্মা সেতুর রেল সংযোগ প্রকল্পের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিদের মধ্যে বিতরণ করা হয়েছে। মঙ্গলবার দুপুরে নারায়ণগঞ্জের ‘পাগলা প্রাপ্তি সিটি’র মাঠে ক্ষতিগ্রস্ত ২০ জনের হাতে এ চেক তুলে দেওয়া হয়। পর্যায়ক্রমে সব ক্ষতিগ্রস্তকে ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে বলে জানান পিবিআরএলপির প্রকল্প পরিচালক ও প্রকৌশলী গোলাম মো. ফখরুদ্দিন আহমেদ চৌধুরি।
পদ্মাসেতু রেল প্রকল্পের প্রধান প্রকৌশলী (ট্রাক অ্যান্ড ওয়াক্স) মো. আফজাল হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন পিবিআরএলপির প্রকল্প পরিচালক ও অতিরিক্ত সচিব প্রকৌশলি গোলাম ফকরুদ্দিন আহমেদ চৌধুরি। অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন সিএসসির ডেপুটি চিফ কো অর্ডিনেটর প্রধান সমন্বয়ক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. আব্দুল মুকিম সরকার, প্রকল্পের চিফ রিসেটেলমেন্ট কর্মকর্তা এ এম সালাউদ্দিন, ডরপ এর প্রতিষ্ঠাতা এএই্চএম নোমান, কুতুবপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মনিরুল আলম সেন্টু, ক্ষতিগ্রস্ত ফরিদা বেগম, মো. জাহাঙ্গীর আলম।
প্রধান অতিথি প্রকৌশলী গোলাম মো. ফখরুদ্দিন আহমেদ চৌধুরি ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিদের দেশের অগ্রণী শ্রেণি উল্লেখ করে বলেন,‘এই প্রকল্প বাস্তবায়ন করতে গিয়ে যারা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন তাদের সবাইকে আর্থিকভাবে সহায়তা করা হবে। যারা ক্ষতিগ্রস্ত তাদের সঙ্গে সেতুবন্ধন তৈরি করার জন্যই আজকের এই অনুষ্ঠান। কাজে সচ্ছ্তা আনার জন্য ক্ষতিগ্রস্তদের প্রকাশ্যে চেক দেওয়া হচ্ছে। সিএসসির ডেপুটি চিফ কোঅডিনেটর মো. আব্দুল মুকিম সরকার পদ্মা সেতুর রেল প্রকল্প বাস্তবায়নে সরকারের পাশপাশি স্থানীয় জনগণের সহায়তা চেয়ে বক্তব্য রাখেন।
উল্লেখ্য, সিএসসির তত্ত্বাবধানে ডরপ পিবিআরএলপি পূর্নবাসন কার্যক্রম পরিচালনা করছেন। ঢাকা থেকে মাওয়া হয়ে ভাঙ্গা পর্যন্ত প্রথম ধাপে প্রকল্পের ৮২ দশমিক ৩৫ কিলোমিটার রেলপথের জন্য ৩ হাজার ৫৪৮টি পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। প্রকল্পটিতে ৩ হাজার ৫৮ দশমিক ৪১ হেক্টর জমি অধিগ্রহণ করা হবে। ২০২১ সালের মধ্যে প্রকল্পের কাজ শুরু হবে।
আরও পড়ুন: গৃহবধূকে গলাটিপে হত্যার অভিযোগ, আটক ২