আহত শামীম একজন যুবলীগ নেতা। তিনি আশুলিয়া সদর ইউনিয়নের ২ নং ওয়ার্ডের স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক বলে জানা গেছে।
আহতের পরিবার ও পুলিশ জানায়, আশুলিয়ার শ্রীখণ্ডিয়া এলাকার মনতাজ হোসেনের ছেলে ও থানা যুবলীগের সদস্য কুসুম মোল্লা দীর্ঘদিন ধরে তার লোকজন দিয়ে মাদক ব্যবসা পরিচালনা করে আসছে। শামীম প্রায়ই মাদক ব্যবসার প্রতিবাদ করতেন। এ নিয়ে এর আগে বেশ কয়েকবার তাদের মধ্যে বাকবিতণ্ডার ঘটনাও ঘটেছে। এর জেরে শুক্রবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে দুর্গাপুর এলাকায় নিজ বাড়িতে যাওয়ার পথে থানা কুসুম মোল্লা ও তার লোকজন নিয়ে শামীমের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। এসময় তারা শামীমের বাম পায়ের রগ কেটে দেয়। এছাড়াও তাকে কুপিয়ে জখম করে ঘটনাস্থলে ফেলে রেখে যায়। পরে স্থানীয়রা তাকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় উদ্ধার করে প্রথমে সাভার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ও পরে সেখান থেকে স্থানীয় একটি হাসপাতালে ভর্তি করে। খবর পেয়ে আশুলিয়া থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে।
আশুলিয়া সদর ইউনিয়নের যুবলীগের সভাপতি আলমগীর হোসেন বলেন, কুসুম মোল্লা দুর্গপুর ও শ্রিখণ্ডিয়া এলাকায় দীর্ঘদিন তার লোকজন দিয়ে মাদক ব্যবসা পরিচালনা করে আসছে। এর প্রতিবাদ করায় শামীমের পায়ের রগ কেটে দিয়েছে কুসুম মোল্লা। এছাড়াও এর আগে মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত থাকার দায়ে কুসুম মোল্লাকে আশুলিয়ার সদর ইউনিয়নের সহ-সভাপতি পদ থেকে তাকে বহিষ্কার করা হয়।
এ ব্যাপারে আশুলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল আওয়াল বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘খবর পেয়ে আশুলিয়া থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। তবে এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনও অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।