মামলার বিবরণে জানা গেছে, রায়পুরা উপজেলার জাহাঙ্গীর নগর গ্রামের আ. হাশেমের ছেলে কবির হোসেনের সঙ্গে একই উপজেলার সাহার খোলা গ্রামের নির্যাতনের শিকার ওই নারীর সঙ্গে বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই স্বামী ও তার পরিবারের লোকজন যৌতুকের জন্য ওই গৃহবধূর ওপর নির্যাতন করে আসছে। যৌতুক এনে দিতে না পারায় নির্যাতনের মাত্রা বাড়তেই থাকে।
গত ৩০ ডিসেম্বর বিকালে ৩ লাখ টাকা যৌতুক এনে দেওয়ার জন্য স্বামী কবির হোসেন, শ্বশুর আ. হাশেম, শাশুড়ি হালেমা বেগম, দেবর হুমায়ুন ও ননদ পারভীন বেগম গৃহবধূর ওপর চাপ প্রয়োগ করে। এতে রাজি না হওয়ায় তারা গৃহবধূর চুল কেটে মাথা ন্যাড়া করে দেয় এবং ব্লেড দিয়ে চোখের ভ্রূ কেটে ফেলে। একপর্যায়ে শ্বশুর হাশেম গৃহবধূর ডান ও বাম হাতে সিগারেটের ছ্যাকা দিয়ে নির্যাতন করে। এসময় তার চিৎকারের আশপাশের লোকজন এগিয়ে গেলে তাকে উঠানে ফেলে রাখা হয়।
পরে প্রতিবেশীদের মাধ্যমে খবর পেয়ে ওই গৃহবধূর বাবা ও আত্মীয় স্বজনরা ঘটনাস্থলে গিয়ে গৃহবধূকে উদ্ধার করে রায়পুরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। এ ঘটনায় ১ জানুয়ারি ৫ জনকে আসামি করে রায়পুরা থানায় লিখিত অভিযোগ দেন নির্যাতনের শিকার ওই গৃহবধূ।
এ ব্যাপারে রায়পুরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দেলোয়ার হোসেন বলেন, ‘তদন্তের পর অভিযোগটি মামলা হিসেবে নেওয়া হয়েছে। তবে স্বামী ছাড়া অন্য কাউকে আসামি করা হয়েছে কিনা সে বিষয়ে তথ্য দেওয়া যাচ্ছে না।