সরেজমিনে দেখা যায়, টঙ্গীতে বিশ্ব ইজতেমা উপলক্ষে ইতোমধ্যে ময়দানে তাঁবু টানানোর কাজ প্রায় শেষের দিকে। বিদ্যুৎ,পানি সরবরাহের জন্য সংশ্লিষ্ট বিভাগের কর্মীরা ময়দানে কাজ করছেন। দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে মুসল্লিরা ইজতেমা ময়দানে এসে খুঁটি স্থাপন, তাঁবু টাঙানো, নামাজের লাইন তৈরি প্রভৃতি কাজে অংশ নিচ্ছেন।
ঢাকার মুগদা এলাকার জামিয়া ইসলামিয়া বাইতুল বাতেন মাদ্রাসার হাফেজি ছাত্র মো. আল আমিন জানান, তাদের ৪০ জন সাথী একসঙ্গে ইজতেমায় এসেছেন।
ইজতেমা মাঠের মুরুব্বী প্রকৌশলী গিয়াস উদ্দিন জানান, দুই ধাপে এবার ৩২ জেলার মুসল্লিরা বিশ্ব ইজতেমায় অংশ নেবেন। গাজীপুর জেলা এ বছর অংশগ্রহণের তালিকায় নেই। তবে টঙ্গীর বোর্ড বাজার থেকে তাবলীগ জামাতের ঢাকা এলাকা শুরু। সে হিসেবে গাজীপুর মহানগরের দক্ষিণ এলাকা ঢাকার সঙ্গে যুক্ত হয়ে এবার ইজতেমায় অংশগ্রহণ করবে।
তিনি বলেন, বহির্বিশ্বের তিনশ’র বেশি জামাত এবার বাংলাদেশে রয়েছে। সবগুলো জামাতের সাথীরা ইজতেমায় অংশগ্রহণ করবেন। ইজতেমা ময়দানে যোগদান করতে এক মাস আগে থেকে বিদেশি মুসল্লিরা দেশে আসতে শুরু করেছেন। কাকরাইল মার্কাজের মুরুব্বীদের তত্ত্বাবধানে তারা ইজতেমা ময়দানে যোগ দেবেন।
গাজীপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শেখ রাসেল বলেন, ‘এবার ইজতেমা ময়দান ও এর আশপাশে ১৫টি ওয়াচ টাওয়ার, ৪০টি সিসিটিভি থাকবে। এবার পর্যাপ্ত সংখ্যক আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা হবে।’
গাজীপুরের সিভিল সার্জন সৈয়দ মঞ্জুরুল হক জানান, ইজতেমায় চিকিৎসক নিয়োগের প্রক্রিয়া এখনও শেষ হয়নি। তবে এবার বাড়তি হিসেবে জেলার বাইরে থেকে প্রায় ৪০জন চিকিৎসক রাখা হবে।