মামলায় ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটির যোগাযোগ বিষয়ক সম্পাদক গাজী সুলতান শাহজাহান জুয়েলকে প্রধান আসামি করা হয়েছে। এছাড়া বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা জয়নুল আবদিন ফারুককে ১৯ নম্বর এবং গাজীপুর জেলা বিএনপির সভাপতি একে এম ফজলুল হক মিলনকে ১৮ নম্বর ও সাধারণ সম্পাদক সাইয়েদুল আলম বাবুলকে ২১ নম্বর আসামি করা হয়।
জয়দেবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমিনুল ইসলাম বলেন, ‘রবিবার দুপুরে মধ্যছায়াবিথী এলাকায় ট্রাস্ট কমিউনিটি সেন্টারে বিএনপির যৌথ কর্মিসভাকে কেন্দ্র করে বিএনপির দুই গ্রুপের নেতা-কর্মীদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া, মারামারি এবং রাস্তায় চলাচলরত একাধিক যানবাহন ও দোকান-পাট ভাঙচুর করে এলাকায় আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলে তাদের দিকে ইটপাকটেল নিক্ষেপ করা হয়। পরে ধাওয়া করে ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ মামলার এক নম্বর আসামিসহ ১৭ জনকে গ্রেফতার করে। গ্রেফতারদের সোমবার দুপুরে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।’
গাজীপুর জেলা বিএনপির সভাপতি একে এম ফজলুল হক মিলন বলেন, ‘রবিবারের যৌথসভাকে কেন্দ্র করে বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে কোনও কোন্দল সৃষ্টি হয়নি এবং নিজেদের মধ্যে কোনও সংঘর্ষ হয়নি। এ খবর সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। এ ধরনের মামলা করে সরকার গণতন্ত্রকামী মানুষের স্রোতকে ঠেকাতে পারবে না।’