বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘কেরানীগঞ্জে সমস্ত বিদ্যুতের লাইন মাটির নিচ দিয়ে নেওয়া হবে। এই কাজের নকশা করা হয়েছে। অষ্ট্রেলিয়ার একটি কনসালটেন্ট দল এর জন্য কাজ করছে। এই কাজের শিগগিরই টেন্ডার হবে। এই কাজে ব্যায় হবে প্রায় আড়াইশ কোটি টাকা।’
তিনি আরও বলেন, ‘কেরানীগঞ্জের সমস্ত বাসাবাড়ির বর্জ্য-আবর্জনা পরিকল্পনা অনুযায়ী নেওয়া হচ্ছে। এই কাজের জন্য ৪৫০ জন পরিচ্ছন্নকর্মী নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। ধলেশ্বরী নদীর পাড়ে বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য দুই’শ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। ’
এ সময় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, কেরানীগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাহিন আহমেদ, হামিদ গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ইনতে খাবুল হামিদ,কেরানীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাহে এলিদ মাইনুল আমিন, তেঘরিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হাজী মো. জজ মিয়া, জিনজিরা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হাজী মো. সাকুর হোসেন সাকু ও নসরুল হামিদ ফাউন্ডেশনের প্রধান কর্মকর্তা আহমেদ সুফীসহ অনেকে।