নিহত দোলোয়ার হোসেন খানের বাড়ি পার্শ্ববর্তী ডামুড্যা উপজেলার দশমনতারা গ্রামে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার দিবাগত রাত ১টার দিকে ৮/১০ জন লোক পূর্ব চরসন্দি গ্রামের মোসলেহ উদ্দীনের বাড়িতে প্রবেশ করে। এ সময় বাড়ির লোকজন টের পেয়ে ডাকাত ডাকাত বলে চিৎকার শুরু করলে আশেপাশের লোকজন ছুটে আসে। এ সময় ডাকাতরা পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে দেলোয়ার নামে একজনকে ধরে ফেলে এলাকাবাসী। পরে তাকে গণপিটুনি দেয় ও চোখ উপড়ে ফেলে। সংবাদ পেয়ে রাত ২টার দিকে পালং থানা পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে আহত দেলোয়ারকে উদ্ধার করে শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করে। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ভোর রাতে দেলোয়ারের মৃত্যু হয়।
রুদ্রকর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হাবিবুর রহমান ঢালী বলেন, স্থানীয় মোসলেহ উদ্দীনের বাড়িতে গভীর রাতে ডাকাত পড়লে এলাকাবাসী তাদের ধাওয়া করে। সবাই পালিয়ে গেলেও দেলোয়ার নামে একজনকে ধরে গণপিটুনি দেয় এলাকার লোকজন। পরে হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়।
শরীয়তপুর সদরের পালং মডেল থানার উপ পরিদর্শক গুলজার আলম বলেন, ‘সদর উপজেলার পূর্ব চরসন্দি গ্রামে ডাকাতি হচ্ছে- এমন খবর পেয়ে রাত ২টার দিকে ওই গ্রামে যাই। গ্রামের একটি বাগানে রক্তাক্ত এক যুবকের দেহ পড়ে থাকতে দেখি। গ্রামবাসী তখন চারদিক থেকে বাগানটি ঘিরে রেখেছিল। দ্রুত তাকে উদ্ধার করে রাত সাড়ে ৩টার দিকে সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ভোর রাতের দিকে তার মৃত্যু হয়। ওই যুবকের দুটি চোখ উৎপাটন করা ছিল।’
তিনি জানান, সদর থানার পুলিশ ওই লাশের সুরতহাল সম্পন্ন করেছে। ময়নাতদন্তের জন্য লাশ সদর হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।