কবির মাদবর শিবচরের বাঁশকান্দি ইউনিয়নের বাজিতপুর গ্রামের মোকসেদ মাদবরের ছেলে। তিনি ) দীর্ঘদিন ঢাকার উত্তরার কোটবাড়ি মাস্টারপাড়ায় পরিবার নিয়ে বসবাস করছেন।
কবিরের পরিবার জানিয়েছেন, কবির প্রসাধনীর ব্যবসায় জড়িত। ব্যবসায়িক প্রয়োজনে তিনি প্রায়ই নেপালে যাওয়া-আসা করতেন। দুর্ঘটনায় তার শরীরের বিভিন্ন অংশ আগুনে পুড়ে গেছে। এছাড়া দুই পা ভেঙে গেছে এবং মাথায়ও গুরুতর আঘাত লেগেছে। আহত কবিরের ছেলে শাওন মাদবর এখন কাঠমান্ডুতে আছেন।
কবিরের বড় ভাই আফসার মাদবর ও কবিরের স্ত্রী হেনা বেগম বলেন, ‘শাওন তার বাবার সর্বশেষ অবস্থা আমাদের ফোনে জানিয়েছেন। বিমান দুর্ঘটনায় তার বাবার শরীরের বিভিন্ন অংশ পুড়ে গেছে। পা ভেঙে গেছে, মাথায় আঘাত পেয়েছেন। সেখানে তার সঠিক চিকিৎসা নিয়ে শাওন সন্দিহান। তাই পরিবারের পক্ষ থেকে বাংলাদেশ সরকারের কাছে তার উন্নত চিকিৎসার দাবি জানানো হচ্ছে।’
উল্লেখ্য, ইউএস বাংলা এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইট ঢাকা থেকে রওনা দিয়ে নেপালের স্থানীয় সময় দুপুর ২টা ২০ মিনিটে ত্রিভুবন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের পাশের একটি ফুটবল মাঠে বিধ্বস্ত হয়। ওই ফ্লাইটে ৬৭ জন যাত্রীসহ ৭১ জন আরোহী ছিলেন। যাত্রীদের মধ্যে ৩২ জন বাংলাদেশি। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ২৬ জন বাংলাদেশি নিহত হয়েছেন এই দুর্ঘটনায়। আহতরা কাঠমান্ডু মেডিক্যাল কলেজ ও ওম হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন।