নিহত সৈকত সদর উপজেলার শীলমান্দি ইউনিয়ন যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক ও পেশায় ঝুট ব্যবসায়ী। সে দক্ষিণ শীলমান্দি এলাকার রুস্তম আলীর ছেলে।
নিহতের পরিবার ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গতকাল সোমবার দুপুরের পর মাহমুদুল হাসান সৈকত বাড়ি থেকে বের হয়। পরে সন্ধ্যা থেকে তাঁর মুঠোফোনটি বন্ধ পাওয়ায় পরিবারের লোকজন তাঁর ঘনিষ্ঠজনদের সঙ্গে যোগাযোগ করেও তার সন্ধান পায়নি। আজ সকাল ৮টার দিকে সড়কের পাশে হাত বাঁধা অবস্থায় একটি লাশ দেখতে পেয়ে স্থানীয়রা থানায় খবর দেয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশের সুরতহাল তৈরি করার সময় তাঁর পরিচয়পত্র পায়। পরে পরিবারের লোকজনকে খবর দিলে তারা লাশের পরিচয় শনাক্ত করেন।
নিহতের বড় ভাই মো. মোরশেদ মিয়া বলেন, ‘সৈকত ঢাকা ও নরসিংদীর বিভিন্ন কারখানার ঝুট কিনে বেচাকেনা করতেন। কারা, কী কারণে আমার ভাইকে হত্যা করেছে বলতে পারছি না।’
এসআই মিজানুর রহমান বলেন, ‘স্থানীয়দের কাছ থেকে খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে গতকাল রাতে অথবা ভোরের কোনও এক সময় তাকে হত্যা করে সড়কের পাশে ফেলে গেছে দুর্বৃত্তরা। প্রাথমিক সুরতহালে দেখা গেছে, লাশের দুই হাত পিছন দিক থেকে বাঁধা ছিল। এছাড়া উরুতে অনেকগুলো লাঠির আঘাত এবং হাঁটুর নিচে প্রায় ২ ইঞ্চি পরিমাণ ক্ষতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। লাশটি ময়নাতদন্তের জন্যে নরসিংদী সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘তাৎক্ষণিকভাবে হত্যার কারণ সম্পর্কে জানা যায়নি। এ ঘটনায় পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।’