দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি মানিক টাঙ্গাইলের বাসাইল থানার দাহাপাড়া এলাকার সন্তোষ রাজবংশীর ছেলে।
পরিদর্শক রবিউল ইসলাম জানান, মানিক রাজবংশীর স্ত্রী রাধি এবং নিহত অজয় চন্দ্র দাসের স্ত্রী হিরণ রাণী দাস সম্পর্কে খালাতো বোন। তারা পরিবার নিয়ে গাজীপুর সিটি করপোরেশনের সাতাইশ এলাকায় ভাড়া বাসায় বসবাস করে রিকশা চালাতো। পারিবারিক কলহের জেরে ২০১৪ সালের ১২ মে সকালে অজয়কে বাড়ি থেকে সাতাইশ চৌরাস্তা এলাকায় ডেকে নিয়ে হাতুড়ি দিয়ে মাথায় আঘাত করে মানিক। এসময় স্থানীয়রা হাতুড়িসহ মানিক রাজবংশীকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করে এবং গুরুতর আহত অজয়চন্দ্র দাসকে হাসপাতালে পাঠায়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনদিন পরে অজয় চন্দ্র দাস হাসপাতালে মারা যায়।
এ ব্যাপারে পরবর্তীতে নিহতের স্ত্রী হিরণ রাণী দাস বাদি হয়ে টঙ্গী থানায় মামলা দায়ের করেন। শুনানি ও সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ মঙ্গলবার আদালত এ রায় ঘোষণা করেন।
রাষ্ট্রপক্ষে মামলা পরিচালনা করেন পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট হারিছ উদ্দিন আহমদ ও আসামিপক্ষে অ্যাডভোকেট ওয়াহিদুজ্জামান আকন মামলা পরিচালনা করেন।