নিহত আরশাদ ইটনা সদরের পশ্চিমগ্রামের নন্দিহাটির মৃত খালেক ভূঁইয়ার ছেলে। আটক ব্যক্তিরা হলেন- শ্যাম লাল (২৮), গোবিন্দ (৪০) ও অর্চনা (৩০)।
স্থানীয়রা জানান, শুক্রবার সকালে আরশাদের গলা কাটা ছিন্নভিন্ন লাশ দেখে পুলিশকে খবর দিলে তারা লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কিশোরগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। পুলিশ জানিয়েছে, আরশাদকে গলা কাটা ছাড়াও ধারালো অস্ত্র দিয়ে নৃশংসভাবে কুপিয়ে সারা শরীর ক্ষতবিক্ষত করে ফেলেছে দুর্বৃত্তরা।
এলাকাবাসী জানিয়েছে, নিহত আরশাদ ইটনা নতুন বাজারে হাটের দিন চা বিক্রি করতো। অন্যদিন শ্রমিকের কাজকর্ম করতো। তার স্ত্রী থাকলেও তারা আলাদা থাকতেন। তবে ১০ বছর বয়সী একটি মেয়ে আরশাদের সঙ্গেই থাকতো। বৃহস্পতিবার রাতে আরশাদ বাড়িতে ছিলেন না।
স্থানীয় সূত্র জানিয়েছে, নিহত শ্রমিক আরশাদের নেশার অভ্যাস ছিল। প্রায়ই সাঙ্গপাঙ্গদের নিয়ে নেশার আসর বসাত। নেশার আসরে কোনও বিরোধকে কেন্দ্র করে তাকে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে।
ইটনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) জাকির হোসেন জানান, আটক তিনজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। আশা করি এ হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত ও গ্রেফতার করা সম্ভব হবে। একই সঙ্গে এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে।