ক্ষতিগ্রস্তরা জানান, আগানগর এলাকায় সুলতান ভান্ডারীর দুইতলা টিনশেড হোস্টেলটিতে নিম্ন আয়ের বিভিন্ন পেশার মানুষ বাস করতেন। শুক্রবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে হোস্টেলের ২০ নম্বর ঘর থেকে আগুনের সূত্রাপাত হয়। মুহুর্তের মধ্যে তা হোস্টেলের ৯০টি ঘরে ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে কেরানীগঞ্জ, সদরঘাট ও পোস্তগোলা ফায়ার সার্ভিসের ৬টি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করে। তাদের দুই ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। তবে তার আগেই হোস্টেলটির সবকিছু পুড়ে যায়। আগুন লাগার কারণ এখনও জানা যায়নি। এই অগ্নিকাণ্ডে কোনও হতাহতের খবরও পাওয়া যায়নি।
ক্ষতিগ্রস্তরা অভিযোগ করেন, ঘটনার শুরুতেই ফায়ার সার্ভিসে খবর দেওয়া হলেও তাদের পৌঁছাতে প্রায় দেড় ঘন্টা লাগে। আর আশেপাশে পর্যাপ্ত পানি না থাকায় আগুন নিভাতে দেরি হয়েছে।
সদরঘাট ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তা মানিকুজ্জামান জানান, এই এলাকার রাস্তাগুলো সরু হওয়ায় তাদের পৌঁছাতে অনেক বেগ পেতে হয়েছে। এছাড়া আশেপাশে পর্যাপ্ত পানি সরবরাহের ব্যবস্থা না থাকায় আগুন নিভাতে হিমশিম খেতে হয়।
ক্ষতিগ্রস্ত বাসিন্দারা দাবি করেন, এই ঘটনায় তাদের প্রায় এক কোটি টাকার সম্পদের ক্ষতি হয়েছে।