তত্ত্বাবধায়ক আব্দুল মোতালেব জানান, ২০১৩ সালের মাঝামাঝি সময় বাঘিনীটিকে শেখ মুজিব সাফারি পার্কে আনা হয়। কিন্তু বাঘিনীটির আগে থেকেই একটি পা কাটা ছিল। তখন থেকেই পার্কে তিন পা বিশিষ্ট বাঘিনীটি সঙ্গীহীন অবস্থায় ছিল। বাঘিনীটিকে কিছুদিন আগে আফ্রিকা থেকে আনা একটি বাঘের সঙ্গে অচেতন অবস্থায় রাখা হয়। পরে অচেতন বাঘিনীটিকে আক্রমণ করে ওই পুরুষ বাঘ। পরে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেয়া হলেও বাঘিনীর অবস্থার কোনও উন্নতি হয়নি। পরে রবিবার সকালে বাঘিনীটি মারা যায়।
তিনি আরও জানান, গত প্রায় সাত বছর আগে খুলনা জেলার সুন্দরবনের কাছে কয়রা উপজেলার একটি গ্রামের একটি বসত ঘরে বাঘিনীটি ঢুকে পড়ে। পরে এলাকার লোকজন বাঘিনীটিকে ঘরে আটক করে বন বিভাগের কর্মীদের খবর দেয়। সেখান থেকে বন বিভাগ ও বন্য প্রাণি বিভাগের কর্মকর্তারা প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেওয়ার পর বাঘিনীটিকে সাফারি পার্কে আনা হয়।