বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য মাজহারুল আলম জানান, এ ব্যাপারে মঙ্গলবার রিটার্নিং কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তাদের জানালেও তাদের কেউ ঘটনাস্থলে যাননি। ফলে রাস্তায় যাত্রী ও জনসাধারণের দীর্ঘ সময় ধরে ভোগান্তি পোহাতে হয়েছে।
নির্বাচনের সহকারী রিটার্নিং অফিসার ও গাজীপুর জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা তারিফুজ্জামান এই ব্যাপারে বলেন, ‘লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ না পেলে তা গ্রহণযোগ্য হবে না।’
তিনি আরও বলেন, ‘তফসিল ঘোষণার দিন থেকে প্রতীক বরাদ্দের আগ পর্যন্ত কেউ বাইরে মিছিল, মিটিং করতে পারবে না, নির্বাচনি পোস্টার, ব্যানার স্থাপন করতে পারবে না। ইতোমধ্যে এ ব্যাপারে বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয়েছে এবং ওইসব উচ্ছেদ কাজ শুরু হয়েছে। তারপরও কিছু এলাকায় পোস্টার-ব্যানার রয়েছে।’
প্রসঙ্গত, মঙ্গলবার দুপুরে সিটি করপোরেশনের চান্দনা-চৌরাস্তা এলাকায় সিটি করপোরেশন, নির্বাচন কমিশন, জেলা প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসন সমন্বিতভাবে সমাবেশ করে নির্বাচনি অবৈধ, ফেস্টুন, বিলবোর্ড অপসারণ করেন।
নির্বাচনে সহকারী রিটার্নিং অফিসার বলেন, ‘মনোনয়নপত্র উত্তোলন ও জমা দেওয়ার শেষ সময় ১২ এপ্রিল, যাচাই-বাছাই হবে ১৫-১৬ এপ্রিল এবং প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময় হলো ২৩ এপ্রিল। ২৪ এপ্রিল প্রার্থীদের প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হবে। ১৫ মে অনুষ্ঠিত হবে নির্বাচন।