নির্বাচন কমিশনার বলেন, ‘ভোটাররা যাতে নির্বিঘ্নে এবং নির্ভয়ে ভোটকেন্দ্রে যেতে পারেন সেই পরিবেশ আমরা সৃষ্টি করবো। ইতোমধ্যে রংপুর ও কুমিল্লা সিটিতে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। সেখানেও পুলিশ ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী দিয়ে নির্বাচনি পরিবেশ সুষ্ঠু রাখা সম্ভব হয়েছে।’
রাজনৈতিক প্রার্থীদের হয়রানি করার ব্যাপারে জানতে চাইলে রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘যেকোনও রাজনৈতিক প্রার্থী নির্বিঘ্নে ভোটারদের কাছে ভোট চাইতে পারবেন। তবে কোনও অরাজতাকে বরদাশত করা হবে না। অহেতুক কোনও প্রার্থীকে নির্যাতন ও হয়রানি না করার জন্য নির্বাচন কমিশনারের পক্ষ থেকে পুলিশ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে অনুরোধ করা হয়েছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘রংপুর এবং কুমিল্লার মতো স্বল্প পরিসরে গাজীপুর ও খুলনাতে ইভিএম ব্যবহার করা হবে। আচরণবিধি লঙ্ঘনের বিষয়ে প্রার্থিতা চূড়ান্ত হওয়ার পর যিনি আচরণবিধি লঙ্ঘন করেছেন আলোচনা করে তার ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। প্রমাণ হলে প্রার্থিতাও বাতিল করা হতে পারে।’