আদালত সূত্র জানায়, ২০০৬ সালের ২৯ ডিসেম্বর র্যাব সদর দফতরের গোয়েন্দা বিভাগের মেজর আতিকুর রহমানের নেতৃত্বে একটি দল টাঙ্গাইল জেলার বায়না বাইপাস সড়কে বিপুল পরিমাণ আগ্নেয়াস্ত্র ও গুলিসহ জেএমবি সদস্য সাইফুল ইসলামকে গ্রেফতার করে। পরে তার দেওয়া তথ্যমতে র্যা ব সদস্যরা ২০০৭ সালের ১ জানুয়ারি তাকে নিয়ে নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁও উপজেলার কোনাবাড়ি এলাকায় মফিজুলের বাড়িতে অভিযান চালিয়ে দেশীয় তৈরি ১৯টি হ্যান্ড গ্রেনেড বডি এবং ৩১ প্যাকেট পাওয়ার জেল উদ্ধার করে। এ ঘটনায় র্যাবের তৎকালীন ডিএডি আবদুস সালাম বাদী হয়ে সোনারগাঁও থানায় নাশকতা ও বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে মামলা দায়ের করেন।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী (পাবলিক প্রসিকিউটর) এস এম ওয়াজেদ আলী খোকন জানান, এই মামলায় জেএমবি’র দুই সদস্য সাইফুল ইসলাম ও মফিজুল ইসলামের বিরুদ্ধে জঙ্গি সম্পৃক্ততার অপরাধ প্রমাণিত হওয়ায় আদালত আসামিদের উপস্থিতিতে এই রায় দিয়েছেন।
তিনি আরও জানান, ইতোমধ্যে একটি মামলায় মৃত্যুদণ্ডসহ একাধিক মামলায় সাইফুল ইসলামের বিরুদ্ধে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা হয়েছে।