ঢাকার কেরানীগঞ্জের মীরেরবাগে অপহরণের পাঁচ ঘণ্টা পর স্কুল ছাত্রের লাশ উদ্ধার ও অপহরণকারীকে আটক করেছে পুলিশ। নিহত স্কুল ছাত্রের নাম মো. সোহাগ (১০)। সোমবার (৩০ এপ্রিল) বিকেল ৩টার দিকে অপহরণকারী মো. শাহিনের রুম থেকে বস্তাবন্দী অবস্থায় সোহাগের লাশ উদ্ধার করেছে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানা পুলিশ। লাশ স্যার সলিমুল্লাহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে। নিহত সোহাগ মীরেরবাগ এলাকায় ওরিয়েন্টাল উচ্চ বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির ছাত্র ছিল। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মো. মনিরুল ইসলাম।
নিহতের বাবা ব্যবসায়ী মো. ইদ্রিস আলী বলেন, ‘আমার ছেলে সোহাগকে সকাল ১০টায় স্কুল থেকে বাড়ি ফেরার পথে অপহরণকারী শাহিন সাইকেল চালানো শিখানোর কথা বলে তার বাড়িতে নিয়ে যায়। সেখানে নিয়ে একটি ঘরে আটকে রাখে। পরে মোবাইল ফোনে আমার কাছে পাঁচ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে। আমি দুই লাখ টাকা মুক্তিপণ দিতে চাইলে সে রাজি হয়নি। আমি নিরুপায় হয়ে দুপুরে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করি। অভিযোগের পর পর বিকেল ৩টার দিকে পুলিশ শাহিনের ঘরের খাটের নিচ থেকে বস্তাবন্দী অবস্থায় আমার ছেলের লাশ উদ্ধার করে।
দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মো. মনিরুল ইসলাম বাংলা ট্রিবিউনকে জানান, সকালে ছাত্র অপহরণের অভিযোগ পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে অপহরণকারী শাহিনকে আটক করা হয়।পরে তার দেওয়া স্বীকারোক্তি অনুযায়ী ঘরের খাটের নিচ থেকে পলিথিনের বস্তায় পেচানো অবস্থায় সোহাগের লাশ উদ্ধার করা হয়। অপহরণকারী শাহিনের বাবার নাম মো.রফিক। তার বাড়ি শুভাঢ্যা ইউনিয়নের মীরেরবাগ এলাকায়। অপহরণকারী শাহিন চিহ্নিত সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজ। এ ব্যাপারে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।