গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রের প্রতিটিতে ২৪ জন করে ৮ হাজার ৮৮ জন এবং ৮৮টি সাধারণ কেন্দ্রের প্রতিটিতে ২২জন করে এক হাজার ৯৩৬ জনসহ মোট ১০ হাজার ২৪ জন আনসার ও পুলিশ সদস্য মোতায়েন থাকবে। এছাড়া প্রতিটি সাধারণ ওয়ার্ডে ১০ জনের একটি টিম এবং ১০ জনের একটি রিজার্ভ টিম মোতায়েন থাকবে। ৫৮০ জন র্যাব সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন। এছাড়া প্রতিটি সাধারণ ওয়ার্ডে এক প্লাটুন করে মোট ২৯ প্লাটুন এবং প্রতি প্লাটুনে ২০ জন করে ৫৮০ জন বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) সদস্য দায়িত্ব পালন করবে।
মতবিনিময় সভায় সভাপতিত্ব করেন গাজীপুর জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ও সিটি করপোরেশনের সহকারী রিটার্নিং অফিসার তারিফুজ্জামান।
নির্বাচনের আগে ও পরে ৪ দিনে ৫৭ জন (প্রতি ওয়ার্ডে একজন করে) নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট দায়িত্ব পালন করবেন। আরও ১০জন অতিরিক্ত হিসেবে মোট ৬৭ জন ম্যাজিস্ট্রেট দায়িত্ব পালন করবেন। এছাড়া গড়ে তিনটি ওয়ার্ডের জন্য একজন করে মোট ১৯ জন জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ১ -১৭ মে পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করবেন।
এদিকে, ১৪ মে রাত ১২টা থেকে ১৫ মে রাত ১২টা পর্যন্ত ট্যাক্সিক্যাব, বেবি ট্যাক্সি, অটোরিকশা, মাইক্রোবাস, জিপ, পিকআপ, কার, বাস, ট্রাক, ট্যাম্পু ইত্যাদির ওপর বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে।
এছাড়া ১৩ মে রাত ১২টা থেকে ১৬ মে সকাল ৬টা পর্যন্ত মোটরসাইকেল চলাচলে বিধি নিষেধ আরোপ করা হয়েছে।
বহিরাগতদের ১ মে রাত ১২টার আগেই নির্বাচনি এলাকা ত্যাগ করতে হবে।
১৫মে গাজীপুর সিটি করপোরেশনের ভোটগ্রহণ হবে। গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে আওয়ামী লীগ ও বিএনপি মনোনীত প্রার্থীসহ ৭ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। ৫৭টি সাধারণ ওয়ার্ডের সাধারণ আসনের কাউন্সিলর পদে ২৫৬ জন এবং ১৯টি সংরক্ষিত ওয়ার্ডের সংরক্ষিত আসনের কাউন্সিলর পদে ৮৪জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। মোট ভোটার ১১ লাখ ৩৭ হাজার ৭৩৬ জন। গাজীপুর সিটি করপোরেশন প্রতিষ্ঠার পর এটা দ্বিতীয় নির্বাচন।