হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, কীটনাশক ওষুধ ও স্যাভলন খেয়ে আত্মহত্যা চেষ্টাকারী শিক্ষার্থীদের টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এদের মধ্যে ৭ জন ছাত্রী এবং ১ জন ছাত্র রয়েছে। এরা হলো, টাঙ্গাইল সদর উপজেলার ঢালানশেখ পুরের খোরশেদ মিয়ার মেয়ে মিনা আক্তার (১৮), ছেটকিবাড়ি এলাকার হাশমত আলীর মেয়ে হালিমা (১৬), পোড়াবাড়ি এলাকার আজহারুল ইসলামের মেয়ে অন্তরা (১৬), অলোয়াভবানী এলাকার হযরত আলীর মেয়ে রাখী আক্তার (১৭), বাসাইল উপজেলার পৌলি গ্রামের নাসিরের ছেলে নাহিদ (১৮), একই উপজেলার কাউলজানী এলাকার আজাহার আলীর মেয়ে বন্যা আক্তার (১৬), ভূঞাপুর উপজেলার নিকরাইল গ্রামের মোহাম্মদ হামিদুরের মেয়ে নিরা আক্তার (১৭) ও কালিহাতী উপজেলার লুহুরিয়া গ্রামের আব্দুল জলিল মিয়ার মেয়ে ফাতেমা আক্তার (১৭)।
এদিকে নিহত শিমা আক্তার গত বছর এসএসসি পরীক্ষায় গণিত বিষয় অকৃতকার্য হয়। এবারও একই বিষয়ে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে সে উত্তীর্ণ হতে পারেনি। এ কারণে রবিবার রাতে টাঙ্গাইলের সন্তোষ এলাকায় ভাড়া বাসায় শিমা ঘরের আড়ার সঙ্গে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করে। পরে বড়ভাই আরজু পুলিশকে খবর দেয়। পুলিশ গিয়ে নিহতের লাশ উদ্ধার করে। শিমা তিন বোন এক ভাইসহ মা-বাবার সঙ্গে ভাড়া বাসায় থাকতো।
কাগমারী পুলিশ ফাড়ির ইনচার্জ ইন্সপেক্টর আরিফ ফয়সাল শিমার মৃত্যুর বিষয়টি জানিয়েছেন।