জানা যায়, দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চলের ২১ জেলা ও স্থলবন্ধর ভোমরা ও বেনাপোলের সঙ্গে চট্টগ্রাম অঞ্চলে সহজে যাতায়াতের জন্য এ সড়কটি ব্যবহার করা হয়। এ সড়কের যানবাহনগুলো বর্তমানে ঢাকা হয়ে ঘুরে যাতায়াত করছে। সড়কের ২৭ কিলোমিটার এলাকা সংস্কারে ঠিকাদার নিয়োগ করা হলেও এখনো কাজ শুরু করা হয়নি।
ব্যাংক কর্মকর্তা আব্দুল কাদের লিপু বলেন, ‘পেশাগত প্রয়োজনে আমি দুই বছর ধরে নিয়মিত শরীয়তপুর সদর থেকে চাঁদপুরের কচুয়া যাতায়াত করি। মহাসড়কটির অবস্থা দীর্ঘদিন ধরেই খারাপ। আরও আগে কাজ শুরু করলে ঈদে ঘরমুখো মানুষের বিড়ম্বনায় পড়তে হতো না। এখন এই রুটের ব্যবসায়ী ও যাত্রীদের দীর্ঘ পথ ঘুরে ঢাকা হয়ে গন্তব্যে যেতে হবে।’
বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন সংস্থা (বিআইডব্লিউটিসি) শরীয়তপুর-চাঁদপুর নৌপথের আলুর বাজার ফেরিঘাটের ব্যবস্থাপক আব্দুস সাত্তার বলেন, ‘সড়কটি দিয়ে দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চলের ২১ জেলার মানুষ খুব সহজে চট্টগ্রাম অঞ্চলের সঙ্গে যাতায়াত করতে পারতো। প্রতিদিন এখান দিয়ে পণ্য ও যাত্রীবাহী প্রায় ৭-৮শ গাড়ি পারাপার করতাম। এখন রাস্তা খারাপ দেখে কোনও গাড়ি আসে না।
শরীয়তপুর সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী জাকির হোসেন বলেন, ‘২৭ কিলোমিটার সড়ক সংস্কার করার জন্য টেন্ডার হয়েছে। মনোহরবাজার থেকে নারায়নপুর অংশে ঠিকাদার কাজ শুরু করেছে। তবে নারায়নপুর থেকে চাঁদপুর ফেরিঘাট পর্যন্ত অংশে ঈদের আগে কাজ শুরু করা সম্ভব নয়। ফলে ঈদের সময় এই আঞ্চলিক মহাসড়কটি চালু হওয়ার কোনও সুযোগ নেই।’