বিএনপির প্রার্থী এনামুল করিম বলেন, ‘কেন্দ্র থেকে এ বিষয়ে একটি ঘোষণা এসেছে। তারপরও আমি নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়াবো না। এ নির্বাচনে আমার অবস্থা সবচেয়ে ভালো।’ নির্বাচন সুষ্ঠু হলে বিপুল ভোটের ব্যবধানে তিনিই বিজয়ী হবেন বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
জেলা বিএনপির সভাপতি সামছুল আলম বলেন, ‘বিএনপির নীতিনির্ধারকের পক্ষ থেকে বিষয়টি ফোনে জানানো হয়েছে।
বিএনপির মহাসচিব বা নির্ধারিত কোনও নেতার সিদ্ধান্ত কিনা জানতে চাইলে তিনি শুধু নীতিনির্ধারকের কথাই বলেন। তবে গত দুদিন আগে এনামুল করিমের নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর গুঞ্জণ ফেসবুকে প্রকাশ হওয়ায় এক সাক্ষাৎকারে বিএনপির মহাসচিবের সিদ্ধান্তের কথাই জানিয়েছিলেন তিনি। নির্বাচন সুষ্ঠু না হওয়ার শঙ্কায় প্রার্থীতা প্রত্যাহার করা হয়েছে বলেও তিনি জানান।
বিএনপির প্রার্থীকে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়িয়ে কৃষক শ্রমিক জনতালীগের প্রার্থীর হয়ে কাজ করার জন্য কেন্দ্র বলা হয়েছে বলেও গুঞ্জণও শোনা যাচ্ছে। জেলা বিএনপির এই নেতার কাছে জানতে চাইলে তিনি বিষয়টি এড়িয়ে যান।
গত ২৪ জুন কেন্দ্রীয় যুব আন্দোলনের সভাপতি হাবিবুন্নবী সোহেলের ফেসবুকে কৃষকশ্রমিক জনতালীগের প্রার্থীকে বিএনপির সমর্থন দেওয়ার বিষয়টি নিয়েও স্ট্যাটাস দেখা যায়। এনিয়ে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়।
এবারের নির্বাচনে মেয়র পদে ৩ জন, সাধারণ কাউন্সিলর পদে ৩৭ জন ও সংরক্ষিত মহিলা কাউন্সিলর পদে ১৪ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের হয়ে লড়ছেন মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রহিম আহমেদ।
উল্লেখ্য, পৌরসভার ১০টি কেন্দ্রে মোট ভোটার সংখ্যা ১৬ হাজার ৪০০। এর মধ্যে নারী ভোটার ৮ হাজার ৪৭৫ জন এবং পুরুষ ভোটার ৭ হাজার ৯২৫ জন। আগামী ৩০ জুন এ পৌরসভায় ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।