ইদ্রিস সিদ্দিকী এ সম্পর্কে বলেন, ‘অভিযোগের ভিত্তিতে আমার তদন্ত করতে এসেছি। অভিযোগকারীদের কাছ থেকে তথ্য প্রমাণ সংগ্রহ করেছি। আমরা বিষয়টি জোরালোভাবে তদন্ত করে দেখছি। আপতত এর বাইরে কিছু বলা যাবে না।’
পৌর কাউন্সিলরদের অনাস্থাপত্র সূত্রে জানা যায়, পৌরসভার মাসিক সভায় কাউন্সিলরদের সাদা কাগজে স্বাক্ষর করিয়ে নিয়ে মেয়র নিজের ইচ্ছা মাফিক রেজ্যুলেশন লিখে পৌর পরিষদের সিদ্ধান্ত হিসেবে চালানো, প্রতিবাদকারী কাউন্সিলরদের মাসিক ভাতা বন্ধ করা, কোনও রকমের টেন্ডার ছাড়াই পৌরসভার বিভিন্ন কাজ মেয়র তার ভাই, আত্মীয় স্বজন, পছন্দের গুটি কয়েক কাউন্সিলর, নিজস্ব ঠিকাদারকে দিয়ে ইচ্ছামাফিক বিল করে তা পরবর্তী সভায় পাস দেখিয়ে সরকারি টাকা আত্মসাৎ, ৫৫টি সরকারি প্রকল্প যেনতেনভাবে বাস্তবায়ন দেখিয়ে নিজে লাভবান, কোটেশনের মাধ্যমে জাল-জালিয়াতির আশ্রয় নিয়ে অনেক ক্ষেত্রে কাজ বাস্তবায়ন না করেই টাকা উত্তোলনসহ আরও নানা অনিয়ম করেছেন। গত ১১ জুন পৌরসভার ৮ জন কাউন্সিলর মেয়রের বিরুদ্ধে আনাস্থা নোটিশ স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব বরাবরে জমা দেন।
কাউন্সিলরদের নেতৃত্বকারী ও পৌরসভার ২ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর অলিল হাওলাদার বলেন, ‘পৌরমেয়র এনায়েত হোসেন নামেই শুধু মেয়র। তার কর্মকাণ্ডে আমরা কেউ খুশি না। মেয়র গত এক বছর ধরে আমাদের সবার চোখের সামনে অনিয়ম করে আসছে। মেয়র ইচ্ছে মতো পৌরসভার সব কার্যক্রম পরিচালনা করছেন। আমাদের সম্মানি ভাতা পর্যন্ত সে দিচ্ছেন না। এছাড়া তার নানা ধরনের অনিয়ম আমরা প্রমাণসহ স্থানীয় সরকার বিভাগের কাছে পাঠিয়েছি।’
এ সম্পর্কে পৌরমেয়র বলেন, ‘একটি মহল আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছে। তবে বিষয়টি স্থানীয় সরকার বিভাগ থেকে তদন্ত করা হচ্ছে। শেষ না হওয়া পর্যন্ত আমি কোনও কথা বলবো না। তদন্ত শেষে হলেই আপনারা দেখতে পারবেন অভিযোগগুলো সত্যি কিনা?’