কোটা আন্দোলনকারীদের ওপর হামলার প্রতিবাদ করতে দেয়নি পুলিশ





কোটা আন্দোলনকারীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে মনববন্ধনে বাধা দেয় পুলিশকোটা সংস্কার আন্দোলনে সাধারণ শিক্ষার্থীদের ওপর ছাত্রলীগের হামলার প্রতিবাদে মানবন্ধনের আয়োজন করে গণসংহতি আন্দোলনের নারায়ণগঞ্জ জেলা শাখা।বুধবার (৪ জুলাই) বিকালে নারায়ণগঞ্জ প্রেসক্লাবের সামনে এই মানববন্ধনের আয়োজন করা হয়। তবে মানবন্ধন করতে দেয়নি পুলিশ ।
সরেজমিনে জানা যায়, বুধবার বিকালে নারায়ণগঞ্জ প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধনের আয়োজন করা হলে, নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানার পরিদর্শক সাজ্জাদ হোসেন ও জয়নাল আবেদীনের নেতৃত্বে পুলিশ ব্যানার কেড়ে নেয়।পুলিশ দুটি মাইক লাগাতে দেয়নি। এসময় গণসংহতি আন্দোলনের নেতাদের সঙ্গে পুলিশের বাগবিতণ্ডা ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। বিকালের আগ থেকে বিপুল সংখ্যক পুলিশ প্রেসক্লাব ঘিরে রাখে। পরে সংগঠনটির নেতারা নারায়ণগঞ্জ প্রেসক্লাবে তাৎক্ষণিক প্রেস ব্রিফিং করেন।

কোটা আন্দোলনকারীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে মনববন্ধনে বাধা দেয় পুলিশ
সংগঠনটির নেতারা বলেন,কোটা সংস্কার শিক্ষার্থীদের যৌক্তিক দাবি। কোটা সংস্কার আন্দোলন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়সহ সারাদেশে ছড়িয়ে পড়লে, সরকার ভীত হয়ে ছলচাতুরির এক ঘোষণার মাধ্যমে আন্দোলন বন্ধ করে দেন। কিন্তু প্রজ্ঞাপন জারি না করায় ফের শিক্ষার্থীরা সংবাদ সম্মেলন করার চেষ্টা করলে তাদের ওপর নৃশংসভাবে ছাত্রলীগ ও পুলিশ হামলা চালিয়েছে। অবিলম্বে হামলাকারীদের গ্রেপ্তার ও কোটা সংস্কার আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত আটক শিক্ষক,বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি বাকি বিল্লাহসহ সব শিক্ষার্থীদের মুক্তির দাবি জানায়।এসময় কোটা সংস্কারের দাবি মেনে নেওয়ারও আহ্বান জানান তারা।
গণসংহতি আন্দোলনের জেলা শাখার সমন্বয়ক তরিকুল সুজনের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন সন্ত্রাস নির্মুল ত্বকী মঞ্চের আহ্বায়ক রফিউর রাব্বি,নারায়ণগঞ্জ নাগরিক কমিটির সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহমান,জেলা সিপিবি সভাপতি হাফিজুল ইসলাম,বাসদের জেলার সমন্বয়ক নিখিল দাস প্রমুখ।