প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, শিক্ষার্থীরা রাস্তা অবরোধের সময় একটি মোটরসাইকেলে আগুন ধরিয়ে দেয়। সোবহান সড়কের কয়েকটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা ও ভাঙচুর চালায়। একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে আগুন ধরিয়ে দেয়। পরে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করে।
পুলিশ ও স্থানীয়দের সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার বেলা ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে গোপালগঞ্জ-টুঙ্গিপাড়া সড়কের ওপর আগুন জ্বালিয়ে রাস্তা অবোরোধ করে শিক্ষার্থীরা। এক পর্যায়ে একদল বিক্ষুদ্ধ ছাত্র বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে গোবরা গ্রামবাসীর দোকানপাট ভাঙচুর ও আগুন ধরিয়ে দেয়। পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করতে চেষ্টা করলে শিক্ষার্থী, গ্রামবাসী ও পুলিশের সঙ্গে ত্রিমুথী সংঘর্ষ বাধে। এসময় পুলিশ কাঁদানে গ্যাস, রাবার বুলেট ও লাঠিচার্জ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। ছাত্র ও গ্রামবাসীর ছোড়া ইটের আঘাতে গোপালগঞ্জ সদর থানার ওসি মনিরুল ইসলামসহ ৫ পুলিশ সদস্যসহ অন্তত ২৫ জন আহত হন। আহতদের গোপালগঞ্জ সদর হাসপাতালসহ স্থানীয় বিভিন্ন ক্লিনিকে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
উল্লেখ্য, বুধবার বিকালে ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও স্থানীয়দের মধ্যে তিন ঘণ্টাব্যাপী ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
গোপালগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুল ইসলাম জানান, পরিস্থিতি এখন শান্ত রয়েছে। কোনও পক্ষ থেকে এখনও মামলা দায়ের করেনি।
এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ও গোবরা ইউনিয়নের গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের সমঝোতা বৈঠক চলছে।
আরও পড়ুন: বঙ্গবন্ধু বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র ও বহিরাগতদের সংঘর্ষে আহত ৩০