নিহতের স্বামী আবুল কাসেম অভিযোগ করে বলেন, তার স্ত্রী গত কয়েকদিন ধরে টনসিলের সমস্যার কারণে অসুস্থ ছিলেন। বৃহস্পতিবার বিকালে পলাশবাড়ী এলাকার মমতাজ উদ্দিন জেনারেল হাসপাতালে গেলে সেখানকার ডাক্তার মোচ্ছাব্বির মাহমুদ ও লাইলী বেগম তাকে হাসপাতালে ভর্তির পরামর্শ দেয়। এছাড়াও টনসিল ইনফেকশন হয়ে গেছে ও দ্রুত অপারেশন না করালে রোগীর অবস্থার অবনিত হওয়ার শঙ্কা প্রকাশ করেন তিনি। পরে ডাক্তারের পরামর্শে রাতেই অপারেশনের জন্য প্রস্তুতি নেওয়া হয়। সন্ধ্যার পর পরই ডাক্তার এমদাদুল ইসলাম রোগীকে অপারেশন থিয়েটারে নিয়ে গিয়ে অচেতন করেন। এর পর দীর্ঘ দুই ঘণ্টা পার হয়ে গেলেও রোগীকে অপারেশন থিয়েটার থেকে বের না করলে পরিবারের সদস্যদের কাছে বিষয়টি সন্দেহ হয়। এক পর্যায়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ রোগীর অবস্থার অবনতির কথা বলে তাকে ঢাকায় রেফার করার পরামর্শ দেয়। এসময় গৃহবধুর স্বজনেরা জোরপূর্বক অপারেশন থিয়েটারের ভেতরে প্রবেশ করে তার মৃতদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। পরে তারা উত্তেজিত হয়ে পড়লে হাসপাতালের চিকিৎসক ও কয়েকজন নার্স ওই হাসপাতাল থেকে দৌড়ে পালিয়ে যায়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে নিহতের লাশ উদ্ধার করে থানা নিয়ে আসে।
নিহতের স্বামী অভিযোগ করে বলেন, ভুল চিকিৎসায় তার স্ত্রীর মৃত্যু হয়েছে। এর প্রতিবাদ করায় হাসপাতালের মালিক মোখলেছুর রহমান ৫-৭ জন ভাড়াটে সন্ত্রাসী নিয়ে এসে তাদেরকে লাঞ্ছিত করে হাসপাতাল থেকে বের করে দেয়।
ওসি আব্দুল আওয়াল বলেন, নিহতের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ অ্যান্ড হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় একটি মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।