শনিবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে উপজেলার দুর্গম এলাকা কালাপাহাড়িয়া মধ্যারচর গ্রামে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। শনিবার সন্ধ্যায় সুজন নামে একজন নিহত হয়।
সুজন নিহত হওয়ার ঘটনায় তার ভাই রবি মিয়া বাদী হয়ে বাবুল,কবির ও হযরত আলীসহ ৩১ জনের নাম উল্লেখ করে আড়াইহাজার থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন।
প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ জানায়, শনিবার সন্ধ্যায় উপজেলার কালাপাহাড়িয়া মধ্যারচর এলাকায় চাই দিয়ে মাছ ধরা নিয়ে ওই এলাকার মো. সুজনের সঙ্গে একই এলাকার হযরত আলীর বাগবিতণ্ডা হয়। এর জের ধরে হযরত আলী ও তার ছেলে স্বপন, কবির, বাবুল ও জজ মিয়ার লোকজন ধারালো অস্ত্র নিয়ে মো. সুজনের ওপর হামলা চালায়। এ সময় দুপক্ষের লোকজন টেঁটা ও বল্লমসহ দেশি অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। এ সময় মো. সুজন নিহত হয় এবং আহত হয় সুজনের ভাই বাবুল, শফিকুল, হাসান, চাচা লিটন (স্থানীয় মেম্বার), আছমা, রোজিনা, হযরত আলী ও আবুল হাসানসহ ১০ জন। আহতদের মধ্যে মুমূর্ষু অবস্থায় রোজিনা আক্তার (৩৮), হযরত আলী (৬৫) ও আছমা আক্তারকে (২৮) ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
জোড়া হত্যাকাণ্ডের এ ঘটনায় কালাপাহাড়িয়ার মধ্যারচর এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা দেখা দিয়েছে। যেকোনও সময় দুপক্ষের মধ্যে পুনরায় রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের আশঙ্কা করছেন এলাকাবাসী। পুনরায় সংঘর্ষ এড়াতে আড়াইহাজার থানার ওসির নেতৃত্বে বিপুল সংখ্যক অতিরিক্ত পুলিশ এলাকায় মোতায়েন রয়েছে।
আহত রোজিনা আক্তারের মৃত্যুর সংবাদ নিশ্চিত করে আড়াইহাজার থানার ওসি এম এ হক জানান, জোড়া হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় মধ্যারচর এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। তবে পরিস্থিতি পুলিশের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।
তিনি আরও জানান, সুজন হত্যার ঘটনায় মামলা হয়েছে।