অনেক স্বপ্ন নিয়ে ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে আম বাগান করেছেন টাঙ্গাইলের বাসাইল উপজেলার কৃষক শাহাদত হোসেন। কিন্তু এক সপ্তাহ ধরে বাগানের আমে ফাটল দেখা দেওয়ায় লোকসানের মুখে পড়েছেন কৃষক শাহাদত।
জানা যায়, ৩ একর জমি লিজ নিয়ে বাসাইল পশ্চিমপাড়ায় ২০১৩ সালে উন্নত জাতের ‘আমরুপালি’র বাগান করেন শাহাদত হোসেন। তার বাগানে ৭শ’টি আমের গাছ রয়েছে। ২০১৫ সাল থেকে তার বাগানে আম আসতে শুরু করে। তিন বছর ধরে ভালোভাবেই আম বিক্রি করে আসছিলেন তিনি। কিন্তু এ বছর বিক্রি শুরু করার আগেই আমগুলো ফেটে যাচ্ছে। বেশ কিছু আমে পচনও ধরেছে। এ কারণে ব্যাপক লোকসানের মুখে পড়েছেন এই কৃষক।
কৃষক শাহাদত হোসেন জানান, ‘কৃষি অফিসের পরামর্শে আমে সব ধরনের মেডিসিন ব্যবহার করেছি। তারপরও আম ফেটে গেলো। এ বছর ৪ থেকে ৫ লাখ টাকার আম বিক্রির পরিকল্পনা ছিল। কিন্তু একটি আমও বিক্রি করতে পারলাম না। স্বপ্ন ছিল ভাগ্য পরিবর্তনের। কিন্তু সেটি আর হচ্ছে না।’
বাসাইল উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল ফারুক বলেন, ‘মাটিতে যদি ক্যালসিয়ামের অভাব হয় কিংবা পটাশ ও বোরন সারের ঘাটতি থাকে, তাহলেও আম ফেটে যেতে পারে। অতিরিক্ত খরা ও হঠাৎ করে বৃষ্টির কারণেও আম ফেটে যায়।’
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপ-পরিচালক আব্দুর রাজ্জাক বলেন, ‘বাসাইল উপজেলায় একটি বাগানে আম ফাটা রোগ দেখা দেওয়ার বিষয়টি শুনেছি। তবে জেলার আর কোনও আম বাগানে এধরণের রোগ দেখা দিয়েছে কিনা তা আমার জানা নেই।’