সাভার মডেল থানার উপ পরিদর্শক (এসআই) মহসিন মিয়া বলেন, ‘ধর্ষণের ঘটনাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে একজন নিহত হয়েছেন। লাশটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় একটি মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।’
নিহত সেলিম মিয়া মাছ ব্যবসায়ী। তিনি জামসিং এলাকার হোসেন আলীর ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, সাভারের জামসিং এলাকার এক শিশু তার ফুফুর বাড়িতে থাকে। ওই শিশুকে কুয়েত প্রবাসী কবির হোসেন ধর্ষণ করে। শিশুটি তার আপন ভাতিজি। বুধবার সকালে শিশুটি তার বাবাকে বিষয়টি জানালে স্থানীয় কয়েকজন প্রতিবেশী কুয়েত প্রবাসীর পক্ষ নেয়। তারা টাকা দিয়ে বিষয়টি মীমাংসা করতে চায়। তবে ঘটনাটি মীমাংসা হওয়ার আগেই সেলিম মিয়া ও রফিকুল ইসলাম নামের দুই জন সাভার মডেল থানায় অবহিত করে। খবর পেয়ে সাভার থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে ওই শিশুকে উদ্ধার করে ও ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে কবির হোসেনকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়। পরে স্থানীয় তাইজুদ্দিন, মহরুদ্দিন ও কামরুল ওই দুই জনের ওপর ক্ষিপ্ত হয়। রাত ১০টার দিকে এক পর্যায়ে তাদের ওপর হামলা চালিয়ে কুপিয়ে জখম করা হয়। এদের মধ্যে সেলিম মিয়া ঘটনাস্থলেই মারা যায়। আশঙ্কাজনক অবস্থায় রফিকুল ইসলামকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। খবর পেয়ে সাভার মডেল থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে নিহতের লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।