ইদ্রিস মাস্টার কক্সবাজার জেলার মহেশপুর থানার শাহ্পুরী দ্বীপ এলাকার একটি কওমী মাদ্রাসায় শিক্ষকতা করতেন। এক বছর যাবত তিনি ইয়াবা ব্যবসার সঙ্গে জড়িত পড়েন বলে র্যাবের জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করেছেন।
প্রেসব্রিফিংয়ে র্যাব-১১ এর ব্যাটালিয়ন অধিনায়ক (ভারপ্রাপ্ত সিও) মেজর আশিক বিল্লাহ জানান, দুই মাস আগে এক ইয়াবা ব্যবসায়ীকে গ্রেফতারের পর ইদ্রিস মাস্টার সম্পর্কে তথ্য প্রকাশ পায়। তিনি একসঙ্গে আড়াই থেকে তিন হাজার পিস ইয়াবা নিজের পায়ুপথ দিয়ে পেটের ভেতরে প্রবেশ করিয়ে কক্সবাজার থেকে অভ্যন্তরীণ বিমানে এসে নারায়ণগঞ্জের বিভিন্ন এলাকায় সরবরাহ করতেন। প্রতি চালানে মূল ডিলারদের কাছ থেকে তিনি ২০ হাজার টাকা করে পেয়ে থাকেন। গত এক বছরে ২০ থেকে ২৫ বার এভাবে ইয়াবা ট্যাবলেট নারায়ণগঞ্জে এনে সরবরাহ করেছেন। প্রতি মাসে তিন থেকে চারবার তিনি এভাবে ইয়াবা সরবরাহ করে থাকেন। এরই ধারাবাহিকতায় শুক্রবার (২৭ জুলাই) রাতে পেটে ইয়াবা নিয়ে কক্সবাজার থেকে অভ্যন্তরীণ বিমানে করে ঢাকায় শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরে এসে নামেন। গোপন খবরের ভিত্তিতে সেখান থেকেই র্যাব তাকে অনুসরণ করতে থাকে। এক পর্যায়ে তিনি নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জের শিমরাইল এলাকায় নামলে র্যাব তাকে আটক করে স্থানীয় একটি বেসরকারি মেডিক্যাল সেন্টারে নিয়ে শারীরিক পরীক্ষা করায়। সেখানে ডিজিটাল এক্সরে রিপোর্টে তার পেটে ইয়াবার প্রমাণ পাওয়া যায়। র্যাব জিজ্ঞাসাবাদ করলে আবু মোসলেম উদ্দিন ইয়াবা বহনের বিষয়টি স্বীকার করেন। পরে তিনি নিজেই পায়ুপথ দিয়ে ইয়াবার প্যাকেট বের করেন। তিনটি প্যাকেটে ২ হাজার ৪শ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট পাওয়া গেছে।