সোহরাব পাংশা উপজেলার সরিষা ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডের বৃত্তিডাঙ্গা গ্রামের রৌস্তম আলীর ছেলে। স্বল্পশিক্ষিত বলে তার কোনও ধরনের চাকরি জোটেনি। তাই নিজের পায়ে দাঁড়াতে পৈতৃক ভিটায় শুরু করেন টার্কি পালন। এর পরপরই বদলে থাকে তারা ভাগ্যের চাকা। টার্কি খামার করে আজ তিনি স্বাবলম্বী।
সোহরাব হোসেন বলেন, ‘প্রথমে নরসিংদী জেলা থেকে ২২ দিন বয়সের ২৮৩টি টার্কির বাচ্চা কিনে এনে নিজের পৈতৃক ভিটায় ১০ শতাংশ জমির ওপরে খামার শুরু করি।। এখান ছোট বড় মিলিয়ে দুই শতাধিক টার্কি রয়েছে খামারে। ছয় মাস পর পর টার্কি ডিম দেয় আর ডিম থেকে এখন বাচ্চা উৎপাদন করছি। বর্তমানে আমার খামারে ১ দিনের বাচ্চা থেকে ৩ মাস বয়সের টার্কি রয়েছে।’
পাংশার আরেক টার্কি পালনকারী মো. সাবু জানান, সোহরাব ভাইকে দেখে আগ্রহী হয়ে নিজের বাড়িতে ৫০টি টার্কি পালন শুরু করেছেন তিনি। এখন টার্কি পালন একটি লাভজনক ব্যবসা ।
রাজবাড়ী জেলার প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মো. আবু বকর বলেন, ‘আমি সোহরাব হোসেনের খামারটি পরিদর্শন করেছি। তিনি এখন সফল একজন টার্কি খামারি। বর্তমানে টার্কি একটি লাভজনক ব্যবসা। তাই এখন অনেক বেকার যুবক টার্কি পালন করে স্বাবলম্বী হয়ে উঠছেন। টার্কি পালনে এখন জেলা প্রাণিসম্পদ কার্যালয় থেকে খামারিদের বিভিন্ন পরামর্শ দেওয়া হয়।’