শামীম ওসমান বলেন, ‘মানুষ বড় জামাতে অংশগ্রহণ করার চেষ্টা করে। কারণ লাখো মানুষের মধ্যে যদি একটা হাতের দোয়া আল্লাহ কবুল করেন তাহলে একজনের উছিলায় সবার দোয়া আল্লাহ রাব্বুল আলামীন হয়তো কবুল করে নেবেন। শোলাকিয়াতে লাখ লাখ মানুষের জামাত হয়। নারায়ণগঞ্জ থেকেও সেখানে যায়। তাই সবাই সম্মত হলে আমিও নারায়ণগঞ্জে এমন একটি জামাতের আয়োজন করতে চাই। যেখানে দেড় লক্ষাধিক মানুষ একসঙ্গে ঈদের জামাতে অংশগ্রহণ করতে পারবে। এই নারায়ণগঞ্জের জামাতকে যেন বাংলাদেশের মানুষ দেড়লাখিয়া জামাত বলতে পারে।’
তিনি বলেন, কারও কোনও আপত্তি না থাকলে শহরের পৌর ঈদগাহ ময়দান,ওসমানী স্টেডিয়াম এবং খান সাহেব ওসমান আলী স্টেডিয়ামে একসঙ্গে একটি বৃহৎ ঈদ জামাতের আয়োজন করা যেতে পারে। এ ব্যাপারে তিনি জেলার উপস্থিত ৭ শতাধিক মসজিদের ঈমামদের মতামত নেন এবং জেলা প্রশাসক ও সিটি করপোরেশনের কাছে সহযোগিতা চান। ইমামরা আলোচনা করে সম্মতি দিলে জেলা প্রশাসক রাব্বি মিয়া ঈদ জামাতের আয়োজনের ব্যাপারে সব ধরনের সহযোগিতা প্রদানের আশ্বাস দেন।
তিনি বলেন, ‘এই মিলন মেলায় এসে আমরা সবাই যদি সবার সঙ্গে বুক মিলাই আল্লাহ সবার মধ্যে ভালোবাসা সৃষ্টি করে দেবেন। পাশাপাশি নারায়ণগঞ্জবাসীর ওপরও রহমত বর্ষিত হবে।’