কোটালীপাড়ার বিলের গ্রামে চলছে গরু মোটাতাজাকরণ

 গরুর খামারকোরবানি উপলক্ষে গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া উপজেলার বিল বেষ্টিত তিন গ্রামে প্রায় আড়াইশ’ পরিবার গরু মোটাতাজাকরণ করছে।  সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক উপায়ে এসব গরু মোটাতাজা করা হচ্ছে।  শেষ মুহূর্তে ভারতীয় গরুতে বাজার ভরে যাওয়ায় লোকসান দিলেও এবছর এখন পর্যন্ত ভারতীয় গরু না আসায় তারা লাভের মুখ দেখবেন বলে প্রত্যাশা করছেন।

কোটালীপাড়ার সোনাখালি, তারাইল ও গোপালপুর গ্রামের অন্তত আড়াইশ পরিবারের আয়ের প্রধান উৎস গরু মোটাতাজা করা।সারাবছর বাড়ির চারিদিকে পানি থাকায় ফসল চাষ সম্ভব নয়। তাই গরু পালনকেই তারা আয়ের উৎস হিসেবে বেছে নিয়েছেন। প্রতিবছরই তারা কোরবানির হাটে গরু বিক্রি করে লাভের টাকায় সংসার চালান।

ঘাস, খৈল, ভুষি, খড় ইত্যাদি গরুর খাবার হিসেবে ব্যবহার করেন। প্রাকৃতিক নিয়মে দেশীয় গরু মোটাতাজা করায় এখানকার গরুর চাহিদাও বেশি। এখান থেকে গরু গোপালগঞ্জ, বাগেরহাট, খুলনা ও বরিশালের বিভিন্ন কোরবানির হাটে বিক্রি হয়ে থাকে।

গরুর খামারকোটালীপাড়ার সোনাখালী গ্রামের গরু লালন পালনকারী কয়েকজন জানান, ঘাস ও অন্যান্য খাবার খাইয়ে গরু মোটাতাজা করেন তারা। তাদের প্রধান পেশাই হল গরু মোটাতাজা করা। তারা  কোরবানির হাটে গরু বিক্রির লক্ষ্য নিয়ে এ ব্যবসা করি বলে জানালেন এ পেশার সঙ্গে জড়িতরা।

এখানকার খামারিদের বিশেষত্ব হলো তারা গরু মোটাতাজা করতে কোন স্টেরয়েড ব্যবহার করেন না। জেলা প্রাণিসম্পদ বিভাগ থেকে গরু চাষিদেরকে প্রাকৃতিক নিয়মে গরু মোটাতাজা করার পরামর্শ দেওয়া হয়। শেষ পর্যন্ত ভারতীয় গরু না আসলে এখানকার চাষিরা লাভবান হবেন বলে প্রাণিসম্পদ বিভাগের কর্মকর্তারা মনে করছেন।