জানা গেছে, গোদনাইলের চৌধুরীবাড়ির শান্তিনগর এলাকায় পারিবারিক কলহের জের ধরে আলো আক্তারকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে ঘুড়ি ওড়ানোর নাটাই ও রক্তমাখা কাপড় উদ্ধার করেছে। পুলিশের ধারণা ওই নাটাই দিয়েই পিটিয়ে আলোকে হত্যা করা হয়েছে। ঘটনার পর পর নিহতের স্বামী জনিকে স্থানীয় বাসিন্দারা আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দেয়। শুক্রবার রাতে এ ঘটনায় নিহতের মামা আদর মিয়া বাদি হয়ে নিহতের স্বামী জনি মিয়া, শ্বশুর বাবুল মিয়া, শ্বাশুড়ি বেবী আক্তার ও দেবর মুন্নাকে আসামি করে সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করে। শুক্রবার রাতেই পুলিশ নিহতের শ্বাশুড়ি বেবী আক্তারকে গ্রেফতার করে। এদিকে নিহত আলোর লাশের ময়নাতদন্ত শেষে শুক্রবার বিকেলে গোদনাইলের সৈয়দপাড়া এলাকায় দাফন করা হয়েছে।
এসআই জসিম উদ্দিন জানান, আলো হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় গ্রেফতার জনি ও বেবী আক্তারকে শনিবার দুপুরে ৫ দিনের রিমান্ড চেয়ে নারায়ণগঞ্জের জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে পাঠানো হলে আদালত তাদের এক দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ওসি আব্দুস সাত্তার মিয়া জানান, আলো হত্যাকাণ্ডের দুই জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অন্যান্য আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে।