প্রিয়জনের সঙ্গে পবিত্র ঈদ উল আযহা উদযাপন শেষে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ২১ জেলার লাখো মানুষ রাজধানী ঢাকায় ফিরতে শুরু করেছে।
যাত্রীরা রাজবাড়ী জেলার দৌলতদিয়া ঘাট থেকে লঞ্চ ও ফেরিতে পদ্মা পাড়ি দিয়ে মানিকগঞ্জ জেলার পাটুরিয়া ঘাটে পৌঁছে। সেখান থেকে আবার ঢাকার গাবতলী বাসস্ট্যান্ড। তারপর যার যেখানে গন্তব্য। তাই ঈদের ছুটি শেষে দৌলতদিয়া ঘাট এলাকায় ঢাকামুখী মানুষের বাড়তি চাপ। সকাল থেকেই মানুষের উপচে পড়া ভিড় জমেছে।
ফেরী পারাপারের জন্য গাড়ির সিরিয়াল ঘাটের জিরো পয়েন্ট থেকে শুরু হয়ে কয়েক কিলোমিটার দীর্ঘ হয়েছে। গরম আর রোদ্রের কারণে বেশি ভোগান্তিতে পরেছে নারী ও শিশুরা। ফেরি পারাপারের অপেক্ষায় থাকা বাসের অনেক যাত্রীকে দ্রুত কর্মস্থলে পৌঁছার লক্ষ্যে লঞ্চে পার হতে দেখা গেছে।
এদিকে পদ্মায় তীব্র স্রোতের কারণে ফেরি পারাপারের আগের তুলনায় বেশি সময় লাগছে বলে জানিয়েছে বিআইডব্লিইটিসি কর্তৃপক্ষ।
বিআইডব্লিইটিসি দৌলতদিয়া ঘাট ব্যাবস্থাপক (বাণিজ্য) মো. শফিকুল ইসলাম জানান, বর্তমানে দৌলতদিয়া পাটুরিয়া নৌরুটে ১৮টি ফেরি যানবাহন পারাপার করছে। পূর্ব সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সাধারণ মানুষের পারাপার নির্বিঘ্ন করতে ঈদের আগের ও পরের কয়েকদিন অপচনশীল পণ্যবাহী যানবাহন পারাপার বন্ধ রাখা হয়েছে। তবে নদীতে তীব্র স্রোত থাকায় ফেরির ট্রিপে সময় দ্বিগুন লাগছে। দৌলতদিয়ায় ৬টি ফেরি ঘাটের মধ্যে বর্তমানে ৫টি চালু আছে। নদীতে প্রবল স্রোতের কারণে পাটুরিয়া থেকে ছেড়ে আসা ফেরির দ্বিগুণ সময় লাগছে। এ কারণে ফেরির ট্রিপ সংখ্যা কমে গেছে। ফলে দৌলতদিয়া ঘাটের কাছে যানবাহনের সিরিয়াল রয়েছে।