শিউলির বাবা মনির হোসেন বলেন, ‘বিয়ের পর যৌতুকের টাকার জন্য প্রায়ই শামীম আমাকে ফোন দিতো। শুক্রবার তাকে ১০ হাজার টাকা দেওয়ার কথা ছিল। বিয়ের পরে জানতে পারি সে বেকার। যৌতুকের টাকার জন্যই শামীম আমার মেয়েকে গলা কেটে হত্যা করেছে। আমি এই হত্যাকাণ্ডের বিচার চাই।’
শিউলির পরিবার সূত্রে জানা গেছে, ২৪ আগস্ট পারিবারিকভাবে শামীমের সঙ্গে শিউলির বিয়ে হয়। শামীম রূপগঞ্জ উপজেলার ভুলতা পাচাইখা এলাকার মনির হোসেনের ছেলে। শিউলি আড়াইহাজারের মনির হোসেনের মেয়ে। বিয়ের সময় কথা ছিল ৬০ হাজার টাকা নগদ ও আধাভরি স্বর্ণ দেওয়া হবে। বিয়ের সময় নগদ ৩৫ হাজার টাকা দেওয়া হয়। ৩১ আগস্ট যৌতুকের আরও ১০ হাজার টাকা দেওয়ার কথা ছিল।
রপগঞ্জ থানার ওসি মনিরুজ্জামান জানান, পুলিশের ধারণা যৌতুকের পুরো টাকা না পাওয়ার কারণে শুক্রবার ভোরে শামীম শিউলিকে গলা কেটে হত্যা করে। খবর পেয়ে পুলিশ শামীমকে আটক করেছে। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।