কাপাসিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু বকর সিদ্দিক জানান, রাতে এসআই সুমনের নেতৃত্বে ওই এলাকায় পুলিশের একটি দল টহল ডিউটি করছিল। এসময় গুলির শব্দ শুনে ঘটনাস্থলে গিয়ে গুলিবিদ্ধ ওই যুবককে পাওয়া যায়। তার কাছ থেকে একটি বিদেশি পিস্তল উদ্ধার করা হয়। সন্ত্রাসীদের দুটি পক্ষের গোলাগুলিতে সে গুলিবিদ্ধ হয়েছে বলে ধারণা করছে পুলশ। পরে কাপাসিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লক্সে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় হত্যা ও অস্ত্র আইনে পৃথক দুটি মামলা হয়েছে। মরদেহ গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দিন আহমেদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।
কাপাসিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিক্যাল অফিসার হাসান জামিল ইবনে কল্লোল জানান, পুলিশ যুবকটিকে মৃত অবস্থায় হাসপাতালে নিয়ে আসে। শার্ট প্যান্ট পরিহিত যুবকের মাথায় ও বুকে দুটি গুলি বিদ্ধ হয়েছে।
কাপাসিয়ার হাইলজোর ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য আব্দুল মোতালেব জানান, রাতে এলাকায় কোনও গোলাগুলির আওয়াজ বা হইচইয়ের খবর পাওয়া যায়নি। রাত সাড়ে তিনটার দিকে থানার পুলিশ আমাকে ফোন দিয়ে ঘটনাস্থলে যেতে বলে। সেখানে গিয়ে ওই যুবকের রক্তমাখা দেহ ও পাশে একটি পিস্তল দেখতে পাই।
চন্দ্রা এলাকাবাসী জানান, বৃহস্পতিবার (৬ সেপ্টেম্বর) বিকালে গাজীপুরের ডিবি পুলিশ জসীম উদ্দিন ইকবাল (৩৬) ওরফে মুচি জসীম নামে এক যুবককে গ্রেফতার করে নিয়ে যায়। সে প্রায় ২০টি বন মামলায় অভিযুক্ত ও দুটিতে ওয়ারেন্ট রয়েছে। শুক্রবার সকাল থেকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ওই যুবকের মৃত ছবি দেখা যাচ্ছে। তবে ডিবি পুলিশের পরিদর্শক আমীর হোসেন যুবক জসীম উদ্দিন ইকবালকে গ্রেফতারের বিষয়টি অস্বীকার করেছেন।
কালিয়াকৈর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল ইসলাম জানান, জসীম উদ্দিন ইকবালের নামে কালিয়াকৈর থানায় বন মামলার দুটি ওয়ারেন্ট রয়েছে। কিছু বন মামলার আসামি ধরার ক্ষেত্রে স্থানীয় মন্ত্রী মহোদয়ের নিষেধ রয়েছে।