শ্রীনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইউনুস আলী ও মুন্সীগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিক্যাল অফিসার (আরএমও) এসএম সাখাওয়াত হোসেন এ তথ্য জানান।
আরএমও এসএম সাখাওয়াত হোসেন জানান, ‘নিহত দুই জঙ্গির মধ্যে এখলাসুরের লাশ তার স্বজনের কাছে আগেই হস্তান্তর করা হয়েছে। কিন্তু, ৫ দিন পরও শামীমের লাশ নিতে কেউ আসেনি। এদিকে হাসপাতাল মর্গে হিমঘরের ব্যবস্থা না থাকায় লাশ পচতে শুরু করেছে। তাই, বুধবার দুপুরে তার লাশ দাফন করা হয়।’
গত ৭ সেপ্টেম্বর শুক্রবার মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগরে কেসি রোড এলাকায় পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে দুই জঙ্গি নিহত হয়।
শ্রীনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. ইউনুচ আলী জানান, বেওয়ারিশ হিসেবে বুধবার বেলা ২টার দিকে জেলা আইনজীবী সমিতি কবরস্থানে মরদেহ দাফন করা হয়েছে।
তিনি আরও জানান, ‘জঙ্গি বোমা শামীমের পরিবারও ডাকাতির সঙ্গে জড়িত বলে জানা গেছে। ঘটনাস্থল থেকে পিস্তল, ম্যাগাজিন, তিন রাউন্ড গুলি, ১১টি ককটেল, দুটি ছোরা ও একটি রেজিস্ট্রিবিহীন মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় শ্রীনগর থানায় পৃথক তিনটি মামলা করা হয়েছে। হত্যা, অস্ত্র ও পুলিশ এসল্টের অভিযোগে করা মামলা তিনটি করেছেন থানার এসআই মাসুদ মুন্সী। এতে পলাতক অজ্ঞাত দুই জঙ্গিকে আসামি করা হয়েছে।
গত ১১ জুন সিরাজদীখানের কাকলদী এলাকায় লেখক ও প্রকাশক শাহজাহান বাচ্চু হত্যার মূল পরিকল্পনাকারী ছিল জঙ্গি বোমা শামীম এবং এখলাসুর ছিল অস্ত্রের জোগানদাতা। এর আগে ২৮ জুন জঙ্গি আব্দুর রহমানও বন্দুকযুদ্ধে নিহত হয়। এ নিয়ে লেখক ও প্রকাশক শাহজাহান বাচ্চু হত্যা মামলার তিন আসামি নিহত হয়েছে।