র্যাব-৭ এর সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) মাশকুর রহমান বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘এখনও নিহত দুই জঙ্গির পরিচয় পাওয়া যায়নি। গ্রেনেড বিস্ফোরিত হয়ে তাদের শরীর ছিন্ন ভিন্ন হয়ে যাওয়ায় শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। তাদের পরিচয় খুঁজে বের করতে র্যাব সদস্যরা কাজ করছে।’
জোরারগঞ্জ থানার ওসি মোহাম্মদ ইফতেখার হাসান বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘সোনাপাহাড়র এলাকার চৌধুরী ম্যানসনে র্যাবের অভিযানের ঘটনায় থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। অজ্ঞাত আসামি রেখে উপ-সহকারী পরিচালক আজাদ বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেন।’
শুক্রবার (৫ অক্টোবর) ভোরে চৌধুরী ম্যানসনে অভিযান চালায় র্যাব। ওই বাড়িতে জঙ্গিরা অবস্থান নিয়েছে এমন গোপন খবরের ভিত্তিতে শুক্রবার রাত ৩টার দিকে ওই বাড়ি ঘেরাও করে র্যাব সদস্যরা। অভিযান শেষে র্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক মুফতি মাহমুদ খান সাংবাদিকদের জানান, শুক্রবার ভোর তিনটার দিকে এই বাড়িটি ঘিরে ফেলে র্যাব। র্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে জঙ্গিরা র্যাবকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। এসময় র্যাবও পাল্টা গুলি ছোড়ে। এর আধঘণ্টা পর সাড়ে তিনটার দিকে ওই বাড়ির ভেতরে একটি বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। সকাল পৌনে ৯টার দিকে সেখানে সুইপিংয়ের কাজ করতে ঢাকা থেকে বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট পৌঁছায়। তারা এসময় অবিস্ফোরিত বোম্ব ও অস্ত্র উদ্ধার করে। র্যাবের অভিযানও অব্যাহত থাকে। সকাল সোয়া ১১টার দিকে র্যাব অভিযান সমাপ্ত ঘোষণা করে। অভিযান শেষে সেখান থেকে দুজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এছাড়া আস্তানা থেকে একটি এ কে টোয়েন্টি টু রাইফেল, তিনটি পিস্তল ও পাঁচটি গ্রেনেড উদ্ধার করে র্যাব সদস্যরা।
আরও পড়ুন..
মীরসরাইয়ের জঙ্গি আস্তানায় অভিযান সমাপ্ত, ২ জনের মরদেহ ও অস্ত্র উদ্ধার
মীরসরাইয়ের জঙ্গি আস্তানা থেকে গ্রেনেড উদ্ধার