বরতকত উল্লাহ জানান, ‘নাব্য সংকট দূর করার জন্য চ্যানেলে ড্রেজিং এর কাজ চলছিল। এ কারণে বিআইডাব্লিউটিএ’র নির্দেশনা অনুযায়ী গত ৪৮ ঘণ্টা ফেরি চলাচল বন্ধ ছিল। পদ্মা সেতু প্রকল্পের কাজে ব্যবহৃত ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান সিনেহাইড্রোর বড় আকারের ড্রেজার দিয়ে সফলভাবে ড্রেজিং কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে। শনিবার দুটি করে চারটি ফেরি পরীক্ষামূলকভাবে চলেছে। তবে, চ্যানেলের মুখে ড্রেজার থাকায় রাতের বেলায় ফেরি চালানো ঝুঁকিপূর্ণ। তাই, ফেরি চালানো আপাতত বন্ধ রয়েছে। রবিবার সকাল থেকে সব ধরনের ফেরি চলতে পারবে বলে আমরা আশাবাদী।’
এদিকে সরেজমিনে দেখা গেছে শিমুলিয়া ঘাট এলাকায় কমপক্ষে দুইশ পণ্যবাহী ট্রাক আটকে রয়েছে।
পণ্যবাহী ট্রাক আটকে থাকার ব্যাপারে বরকত উল্লাহ বলেন, ‘ফেরি চলাচল বন্ধ ঘোষণা করার কারণে আমরা ঘাটে অপেক্ষমাণ যানবাহনকে বিকল্প রুট ব্যবহার করার পরামর্শ দিয়েছিলাম। কিন্তু, তারা তা করেনি। ফলে এখনও প্রায় দুইশ যানবাহন পারাপারের অপেক্ষায় রয়েছে।’