ডা. জাফরুল্লাহ বলেন, ‘জাতীয় ঐকফ্রন্টে যোগদানের কারণে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের ওপর এসব আক্রমণ ও হামলা-মামলা হচ্ছে। ৩০ বছরেরও বেশি সময় যাবৎ গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। অথচ এখন বহিরাগত কিছু লোক পিএইচএ ভবনের মূল ফটক ভেঙে নিয়ে গেছে। ভেতরে প্রবেশ করে নারী শিক্ষার্থীদের লাঞ্ছিত করেছে। এছাড়া অন্য কর্মীদেরও মারধর করেছে তারা। এসব অন্যায় কাজে বাধা দেওয়া তো দোষের কিছু না।’
ডা. জাফরুল্লাহ বলেন, ‘আমি ফোনে আমার লোকদের এসব ঘটনা প্রতিহত করার কথা বলেছি। নারীদের নির্যাতনের অভিযোগে এখনও কেন মামলা দায়ের করা হয়নি, এসব বিষয়ে বলেছি। আমাদের প্রতিষ্ঠান টিকিয়ে রাখতে আমরা একসঙ্গে কথা বলতেই পারি। তা বিকৃতভাবে প্রকাশ করার কিছু নেই। এছাড়া নিজেদের অস্তিত্ব বাঁচাতে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র সংশ্লিষ্টদের এই পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। তাই প্রতিষ্ঠান ক্ষতিগ্রস্ত হলে এর জন্য ফোনে পরামর্শ দেওয়া দোষের কিছু নয়।’
সংবাদ সম্মেলনে তার সঙ্গে ছিলেন ট্রাস্টি বোর্ডের পরিচালক সাইফুল ইসলাম শিশিরসহ গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।