আশুলিয়া থানার পরিদর্শক (ওসি তদন্ত) জাবেদ মাসুদ বলেন,‘বাবুলের বিরুদ্ধে অন্য থানায় কোনও মামলা রয়েছে কিনা বিষয়টি খোঁজ নেওয়া হচ্ছে। তবে এখন পর্যন্ত তার বিরুদ্ধে অন্য কোনও থানায় মামলার তথ্য পাওয়া যায়নি।’
পুলিশ জানায়, গত ১২ নভেম্বর সোমবার আশুলিয়ার ইয়ারপুর এলাকার পোশাক শ্রমিক মেহেদী হাসান টিপুকে অপহরণের পর হত্যা করে লাশ ৮ টুকরা করে ফ্রিজে ভরে রাখে বাবলু মিয়া। পরে এ ঘটনায় বাবলুকে প্রধান আসামি করে নিহতের স্ত্রী শম্পা বেগম বাদী হয়ে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। পরে বুধবার রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বাবুল মিয়াকে গ্রেফতার করে পুলিশ। গ্রেফতারের পর ভোর রাতে তার অনান্য সহযোগীরা ইয়ারপুর এলাকার মুন্নার বাগানে অবস্থান করছে, এমন খবর পেয়ে আশুলিয়া থানা পুলিশ সেখানে অভিযান চালায়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে বাবুলের সহযোগীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি চালালে পুলিশও পাল্টা গুলি চালায়।এর একপর্যায়ে বাবুল গুলিবিদ্ধ হয়। পরে তাকে দ্রুত উদ্ধার করে সাভার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
এ বিষয়ে আশুলিয়ার থানার পুলিশ পরিদর্শক (ওসি তদন্ত) জাবেদ মাসুদ বলেন, ‘গ্রেফতারের পর বাবুলকে নিয়ে অভিযানে গেলে তার সহযোগীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি ছুড়তে থাকে। এসময় পুলিশও পাল্টা গুলি ছুড়লে বাবুল গুলিবিদ্ধ হয়। পরে তাকে উদ্ধার করে সাভার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। নিহতের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য রাজধানীর শহীদ সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।