সেলিম ওসমান বলেন, ‘প্রতিটি পরিবারে স্ত্রী যদি তার স্বামীর অথবা মা যদি তার সন্তানের পাশে দাঁড়ায় বাংলাদেশ আর পিছিয়ে থাকবে না।’
জাতীয় পার্টির এই সংসদ সদস্য বলেন, ‘আমি সাতটি ইউনিয়নে সাতটি স্কুল নির্মাণ করেছি। কদমরসুল কলেজ সরকারি হয়েছে। নারায়ণগঞ্জ কলেজে নতুন ভবন নির্মিত হয়েছে। আমি ভবিষ্যত প্রজন্মকে নিয়ে স্বপ্ন দেখি, তাদের জন্যই গত সাড়ে চার বছর কাজ করেছি। ভবিষ্যতেও কাজ করে যাবো। কিন্তু শুধু স্কুল কলেজ বানালেই চলবে না। সেখানে অবশ্যই আপনাদের সন্তানদের পাঠাতে হবে। ভবিষ্যত প্রজন্মকে সুশিক্ষায় শিক্ষিত করে গড়ে তুলতে হবে। যাতে করে অদূর ভবিষ্যতে তারাই দেশের দায়িত্ব নিতে পারে। সুশিক্ষায় শিক্ষিতদের হাতেই যেন ভবিষ্যত বাংলাদেশকে তুলে দিয়ে যেতে পারি এটাই এখন একমাত্র চাওয়া।’
মতবিনিময় সভায় আরও বক্তব্য রাখেন— সেলিম ওসমানের স্ত্রী নাসরিন ওসমান, শামীম ওসমানের স্ত্রী সালমা ওসমান লিপি, মুক্তিযোদ্ধা ও নারী নেত্রী ফরিদা আক্তার, প্রফেসর শিরীন বেগম, জেলা মহিলা পার্টির সভাপতি আঞ্জুমান আরা ভুইয়া, নারী নেত্রী রোকসানা খবির, আঞ্জুমান আরা আকসির, মহানগর যুবমহিলা লীগের সভানেত্রী অ্যাডভোটেক সুইটি ইয়াসমিন প্রমুখ।