সোহাগ কাপাসিয়া উপজেলার বারিষাব ইউনিয়নের ভেরারচালা গ্রামের আবদুল খালেকের ছেলে।
কাপাসিয়া থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) রাসেল জানান, সোহাগ লোকজনের কাছ থেকে মামলা সমাধান ও চাকরি দেওয়ার কথা বলে মোটা অঙ্কের টাকা হাতিয়ে নিতেন। দীর্ঘদিন ধরে সাতক্ষীরার তৃতীয় সহকারী জজ পরিচয় দিয়ে প্রতারণা করে আসছিলেন। এলাকাবাসীর অভিযোগের পর পুলিশ গিয়ে পরিচয় জানতে চাইলে সোহাগ প্রথমে নিজেকে জজ দাবি করেন। পরে চ্যালেঞ্জ করলে তিনি জজ নিয়োগ পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে পারেননি বলে জানান। সোহাগ স্বীকার করে মামলা থেকে খালাসের কথা বলে স্থানীয় অরুন মিয়ার কাছ থেকে ৩৭ হাজার, লিটন মিয়ার কাছ থেকে ৯০ হাজার ও ইমাম উদ্দিনের কাছ থেকে ১৫ হাজার টাকা নিয়েছেন। সোহাগের বিরুদ্ধে প্রতারণার মাধ্যমে অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগে মামলা করা হয়েছে।