পলাশ থানার ওসি মকবুল হোসেন প্রচারণায় বাধা দেওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ‘ড. আবদুল মঈন খান পারুলিয়া মোড়ে শোডাউন করার সময় ব্যাপক যানজট ও বিশৃংখল পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। পরে উনাকে বিষয়টি বুঝিয়ে বললে তিনি নেতাকর্মীদের সরিয়ে দিয়ে চলে যান। পরে ইউএনও’র কার্যালয়ের সামনে ওনার পিএসের ওপর কে বা কারা হামলা চালিয়েছে বলে শুনেছি।’
দলীয় নেতাকর্মীরা জানান, বিএনপি প্রার্থী ড. আবদুল মঈন খান দুই শতাধিক নেতাকর্মী নিয়ে উপজেলার পারুলিয়া মোড়ে প্রচারণা চালাচ্ছিলেন। এসময় সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যাওয়ায় ও বিশৃংখলা সৃষ্টির আশঙ্কায় থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়। এই ঘটনার পর ড. আবদুল মঈন খান ও তার ব্যক্তিগত সহকারী মিল্টন নরসিংদী-২ (পলাশ) আসনের সহকারী রিটার্নিং অফিসার ভাস্কর দেবনাথের কার্যালয়ের দিকে যান। মঈন খান রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে প্রবেশ করেন। এই সময় রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয়ের বাইরে দুর্বৃত্তরা লাঠিসোটা নিয়ে মিল্টনের ওপর হামলা চালায়। এতে তিনি মাথায় ও নাকে আঘাত পেয়ে গুরুতর আহত হন। পরে তাকে ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার প্রথমে পলাশ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও পরে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে পাঠানো হয়।