তিনি বলেছেন, ‘তারা জনগণের ভোট পাবে না। তারা মানুষের ভোট ছাড়াই অন্য উপায়ে বিজয়ী হওয়ার পরিকল্পনা করছে। এতো বাধা বিপত্তি উপেক্ষা করে গণসংযোগ করেছি। গণসংযোগে গিয়ে মানুষের বিপুল সাড়া পেয়েছি। আশা করি, আমি বিপুল ভোটে জয়ী হবো। এতে তারা ভয় পেয়ে গেছে। এটা তাদের ভয়ের বহিঃপ্রকাশ। তাদের ভয় কী? আমি ভোটে জিতে যাবো, তারা হেরে যাবে। নির্বাচনের ফলাফল যা-ই হোক না কেন নির্বাচনের শেষ দিন পর্যন্ত থাকতে চাই।’
‘দিন দিন আমার নির্বাচন করা কঠিন হয়ে পড়ছে,’ উল্লেখ করে আকরাম আরও বলেছেন, ‘আমি যেন নারায়ণগঞ্জ থেকে চলে যাই, এ রকমের ষড়যন্ত্র করছে। সারাদেশে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট নির্বাচন করুক। নারায়ণগঞ্জে যেন আমি নির্বাচন করতে না পারি। এ ধরনের আভাস আমি পেয়েছি। দেলোয়ার হোসেন চুন্নু আমার নির্বাচন পরিচালনার সার্বিক দায়িত্ব পালন করছিলেন। তাকে গত পরশু পুলিশ ধরে নিয়ে গেছে। গতকাল বহু চেষ্টা করেও তার জামিন করাতে পারিনি। গত রাতে বন্দর উপজেলা থেকে আমাদের ২২ জন নেতা-কর্মীকে পুলিশ ধরে নিয়ে গেছে। ৩০ ডিসেম্বরের আগে তাদের জামিন হওয়ার আশা করা দুরূহ। চুন্নুর নামে আগের কোন মামলা নেই। পরে তার বিরুদ্ধে মামলা সাজানো হয়েছে। তিনি ভোটারদের উদ্দেশে বলেন, আপনারা নির্ভয়ে ভোট কেন্দ্রে যাবেন। আপনারা ভোট কেন্দ্রে গিয়ে আমার প্রতীক ধানের শীষে ভোট দিয়ে আসবেন।’