কিশোরগঞ্জ-১ আসনের বিএনপি প্রার্থী রেজাউল করিম খান চুন্নু বলেছেন, ‘আমার সামনে বিএনপির এজেন্টদের কেন্দ্র থেকে বের করে দেওয়া হয়েছে। আমি দায়িত্বপ্রাপ্ত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের কাছে অভিযোগ করেও কোনও প্রতিকার পাইনি। এমনও দেখা গেছে, পুলিশের সহযোগিতায় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা প্রকাশ্যে ব্যালটে সিল মেরে বাক্সে ভরেছে। এসব কারণে বাধ্য হয়ে আমি নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দিয়েছি।’
কিশোরগঞ্জ-৩ আসনে ঐক্যফ্রন্ট প্রার্থী জেএসডির ড. সাইফুল ইসলাম এ প্রতিনিধিকে মুঠোফোনে তার নির্বাচন বর্জনের কথা জানিয়ে বলেছেন, এ ধরনের নির্বাচন আমি জীবনে কোনওদিন দেখিনি। করিমগঞ্জ-তাড়াইলের একটি কেন্দ্রেও আমার এজেন্টদের থাকতে দেওয়া হয়নি। জোর করে পুলিশ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সামনে ভোট দিয়েছে আওয়ামী লীগ ও জাতীয় পার্টির লোকজন। শুধু তাই নয়, অনেককে প্রকাশ্যে লাঙ্গল মার্কায় ভোট দিতে বাধ্য করা হয়েছে।’
কিশোরগঞ্জ-৬ আসনের বিএনপি প্রার্থী শরীফুল আলমের পক্ষে সংবাদ সম্মেলন করে ভৈরব উপজেলা বিএনপি সভাপতি রফিকুল ইসলাম ভোট বর্জনের ঘোষণা দেন। সংবাদ সম্মেলনে তিনি ভোট ডাকাতি, কেন্দ্র থেকে বিএনপির এজেন্টদের বের করে দেওয়া, সাধারণ ভোটারদের ভোটকেন্দ্রে যেতে বাধা দেওয়াসহ বিভিন্ন অভিযোগ করেন। তিনি সাংবাদিকদের বলেন, এটি নির্বাচনের নামে প্রহসন ছাড়া কিছুই নয়। কাজেই নির্বাচন থেকে সরে যাওয়া ছাড়া তাদের কোনও উপায় ছিল না।
এদিকে কিশোরগঞ্জ-৪ আসনের বিএনপি প্রার্থী অ্যাডভোকেট ফজলুর রহমান বলেছেন, ‘নির্বাচন বলতে যা বোঝায়, তার কোনও পরিবেশ ছিল না। বিএনপিকে যারা ভোট দেয় তাদের কেন্দ্রে যেতেই দেওয়া হয়নি।’