নির্বাচনি সহিংসতায় নিহত, অজ্ঞাত ৩শ’ জনের বিরুদ্ধে মামলা

মামলা

কুমিল্লায় নির্বাচনি সহিংসতায় নিহত বাচ্চু মিয়ার ছেলে বাদী হয়ে অজ্ঞাত ২-৩শ’ জনের বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। সোমবার সকালে নাঙ্গলকোট থানায় এ মামলা করা হয়।

নিহত বাচ্চু বরতলী ইউনিয়নের সোন্দাইল গ্রামের ইদ্রিস মিয়ার ছেলে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, রবিবার নাঙ্গলকোট উপজেলার বরতলী ইউনিয়নের মুরগাঁও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে ঢুকার সময় যুবলীগ ও ছাত্রলীগ কর্মীরা বাধা দেয়। তিনি বাধা উপেক্ষা করে ঢুকতে চাইলে তারা বাচ্চু মিয়াকে পিঠিয়ে গুরুতর আহত করে। পরে তাকে উদ্ধার করে কুমিল্লা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসকরা মৃত ঘোষণা করেন। বাচ্চু বিএনপির সমর্থক বলে দাবি করছেন দলের স্থানীয় নেতাকর্মীরা।

বাচ্চু মিয়ার জেঠাতো ভাই ইসহাক মিয়া বলেন, ‘বাচ্চু কখনও মাছ বিক্রি করতেন আবার কখনও জমি বর্গা নিয়ে কৃষি কাজ করতেন। এভাবে তার পরিবার চলতো। সে কখনও কোনও রাজনৈতিক দলের কর্মী ছিলেন না। আমি আওয়ামী লীগকে সমর্থন করি। বাচ্চু মিয়া বিএনপিকে সমর্থন করে এটাই তার অপরাধ ছিল।’

নাঙ্গলকোট মক্রবপুর ইউনিয়ন যুবদলের সাবেক আহ্বায়ক মো. মাজাহার বলেন, ‘বাচ্চু বিএনপিকে সমর্থন করতেন, তবে তিনি দলের কোনও কর্মী ছিলেন না।’

নাঙ্গলকোট উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক আহ্বায়ক ও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান সামছুজ্জামান কালু বলেন, ‘গতকাল শুনেছিলাম আওয়ামী লীগ ও বিএনপির মধ্যে সংঘর্ষে একজন নিহত হয়েছে। এর বেশি কিছু বলতে পারবো না।’    

নাঙ্গলকোট থানার ওসি নজরুল ইসলাম জানান, হত্যার ঘটনায় বাচ্চু মিয়ার ছেলে বাদী হয়ে অজ্ঞাত ২-৩শ’ জনের বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। হামলাকারীদের শনাক্ত করা যায়নি। পুলিশের তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।