কামরুল ইসলাম আরও বলেন, ‘এবারের নির্বাচনে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তি, উন্নয়নের পক্ষে দেশের সমস্ত মানুষ ঐক্যবদ্ধ হয়ে ভোট দিয়েছে। যারা আলবদর ও রাজাকারদের নিয়ে একসাথে নির্বাচন করেছে তাদের মানুষ বিনা ভোটে বর্জন করেছে। নির্বাচনে আওয়ামী লীগের এই বিশাল বিজয় গণতন্ত্রের জন্য মাইলফলক। এই নির্বাচনকে আন্তর্জাতিকভাবে প্রশ্নবিদ্ধ করার জন্য বিএনপি মাঠে ছিল না। তাদের সেই চেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে। তারা ইচ্ছাকৃতভাবে নির্বাচন থেকে দূরে সরে গিয়েছিল। কিন্তু সবাই এখন এই নির্বাচন নিয়ে প্রশংসা করছে। তারেক রহমান লন্ডনে বসে নির্বাচন নিয়ে কোটি কোটি টাকা বাণিজ্য করেছে।’
আওয়ামী লীগ নেতা হাজী মো. আলাউদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা জেলা যুবলীগের সভাপতি শফিউল আজম খান বারকু, কেরানীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ইউসুফ আলী চৌধুরী সেলিম, আওয়ামী লীগ নেতা আইকে শাহীন, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় উপ-কমিটির সহ-সম্পাদক আলতাফ হোসেন বিপ্লব, আওয়ামী লীগ নেতা ইফতেখার হোসেন শাওন, সোহরাব হোসেন খোকন, মো. হাবিব, হযরতপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. আলাউদ্দিন প্রমুখ।
এদিকে সকালে মন্ত্রী হযরতপুর ও বিকালে আব্দুল্লাহপুর এলাকায় বেশ কয়েকটি গণসংবর্ধনা অনুষ্ঠানে যোগদান করেন।